)
অর্ণবাংশু নিয়োগী: সোমবার সকালে এজলাসে বসেই কলকাতা পুলিসকে (Kolkata Police) সার্টিফিকেট দিয়ে দিলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। সকালে এজলাসে বসেই অবশ্য রাস্তার হাল নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আদালত। তার সঙ্গে সহমত প্রকাশ করে নিউ আলিপুর থেকে আসা এক আইনজীবী দাবি করেন, আজও অন্য দিনের মতো একই সময়ে তিনি বাড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে কোর্টে পৌঁছেছেন। যা শুনে বিচারপতির বক্তব্য, 'আমি তো বরাবর বলি কলকাতা পুলিসের উপর আমার ভরসা আছে।'
এরপরেই বিচারপতির ক্ষোভ আইনজীবীদের পদক্ষেপ নিয়ে। এদিন বার অ্যাসোসিয়েশন প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করেছে, কোনও মামলার একপক্ষ না এলে যাতে কোনও রায় না দেওয়া হয়। সেই প্রসঙ্গ টেনে এবং এজলাস কার্যত আইনজীবী শূন্য দেখে বিচারপতির মন্তব্য, 'এইভাবে কোর্টের কাজ এগোনো যাচ্ছে না। আজ রাস্তার যা অবস্থা সকাল সাড়ে ১০ টার মধ্যে কোর্টে পৌঁছনো যায় না এটা আমি বিশ্বাস করি না। আপনারা কাজের জায়গা নষ্ট করছেন।'
উল্লেখ্য, ২১ জুলাইয়ের সকাল ৮ টা পর্যন্ত পায়ে হেঁটে মিছিল ধর্মতলায় আসতে পারবে। সকাল ৯ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত যাতে কোনও যানজট না হয় এবং কলকাতা হাইকোর্ট থেকে ৫ কিলোমিটারের মধ্যে যাতে মানুষের অফিস যেতে অসুবিধা না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে বলে কলকাতা পুলিসকে নির্দেশ দেয় আদালত। সেই মতই সোমবার রাস্তার ট্রাফিক নিয়ে সন্তোষপ্রকাশ করল আদালত।
আদালতের নির্দেশ ছিল, শনিবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্ট ও অন্য অফিসের সামনের রাস্তা আটকে কোনও মিছিল বা জমায়েত করা যাবে না ৷ ১১টার পর থেকে কলকাতার যান চলাচল যাতে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক থাকে, সেটা দেখার দায়িত্ব কলকাতার পুলিস কমিশনারের ৷ শাসকদলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১০ লক্ষ লোকের জমায়েত হতে পারে ওই দিন ৷ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ঠিকমতো পালন করা হল কি না, তা ২১ অগাস্ট পুলিসকে হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে আদালতে ৷
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)