Mother Kills Son: পোশাক, টিপ নিয়ে ব্যঙ্গ ছেলের! রাগে ১৫-র কিশোরকে মেরেই ফেলল মা...

Madhya Pradesh Shocker: মায়ের পোশাক, টিপ নিয়ে ব্যঙ্গ করত ছেলে! রাগে নিজের ছেলেকে শ্বাসরোধ করে খুন করল মা। নিজের অপরাধ ঢাকতে ছেলের মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসাবে দেখানোর চেষ্টা করেছিল অভিযুক্ত মা।

Updated By: Mar 11, 2025, 12:15 PM IST
Mother Kills Son: পোশাক, টিপ নিয়ে ব্যঙ্গ ছেলের! রাগে ১৫-র কিশোরকে মেরেই ফেলল মা...

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এ কেমন মা! সামান্য কারণে নিজেরই ছেলে খুন করল মা। অপরাধ লুকনোর জন্য প্রথমে তিনি ছেলের মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসাবে দেখানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু পুলিসি তত্‍পরতায় ঘটনার আসল সত্যতা বেরিয়ে আসে। ভয়ংকর এই কাণ্ডটি ঘটে মধ্যপ্রদেশের গুনা জেলায়।

Add Zee News as a Preferred Source

Zee ২৪ ঘণ্টার সব খবরের আপডেটে চোখ রাখুন। ফলো করুন Google News

জানা গিয়েছে, মৃত ১৫ বছরের অভ্যুদয় জৈনকে ১৪ ফেব্রুয়ারি তার বাড়ির বাথরুমে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রথমে অভ্যুদয়ের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে তার মা। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বেরিয়ে আসে ভয়ংকর সত্য। তার মৃত্যু যে শ্বাসরোধ করার কারণে হয়, তা রিপোর্টে উঠে আসে। 

পুলিস সূত্রে খবর, অভ্যুদয়ের বাবা অনুপম জৈন একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত। এবং মা অলকা জৈন গৃহবধূ। অভ্যুদয় নাকি প্রায়ই মাকে তার পোশাক এবং টিপ করা নিয়ে ব্যঙ্গ করত। রাগে তার মা এই ভয়ংকর কাণ্ড ঘটায়।

কিন্তু অন্যদিকে মা অলকা জৈনের মতে, ঘটনার সময় অভ্যুদয় বাড়িতে একা ছিলেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে যখন তিনি ফিরে আসেন, তখন তিনি দেখেন দরজাটি ভেতর থেকে বন্ধ। বারবার দরজা খোলার ব্যর্থ চেষ্টার পর, তিনি বাড়িওয়ালার কাছ থেকে একটি অতিরিক্ত চাবি নিয়ে যান। ভেতরে ঢুকে তিনি দেখতে পান অভ্যুদয় তার ঘরে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে, তার পা বাঁধা এবং গলায় ওড়না জড়ানো। প্রতিবেশীরা এবং বাড়িওয়ালা তাকে দ্রুত জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:Fake Medicine: প্রেসার, জ্বর, সুগার-- সব ওষুধেই ভেজাল! কেনার আগে জেনে নিন সরকারি নির্দেশ...

অভ্যুদয়ের গলার চিহ্ন দেখে পুলিসের মনে সন্দেহ জাগে। এবং পুলিস পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করতে শুরু করে। এসপি সঞ্জীব কুমার সিনহার নেতৃত্বে ডিএসপি ভারত নৌটিয়ার নেতৃত্বে একটি দল কলোনির সিসিটিভি ফুটেজ, মায়ের কল রেকর্ড, প্রতিবেশী এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অপরাধস্থল থেকে ফরেনসিক প্রমাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করে।

সব কিছু দেখার পর পুলিসের সন্দেহ তীর গিয়ে লাগে অলকা জৈনের দিকে। একাধিক প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও, অলকা নিজের অপরাধ মানতে চায় না। জোর দিয়ে বলে যায়, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। ইতোমধ্যেই পুলিস তাকে গ্রেফতার করেছে। এবং পরবর্তী আরও তদন্তের জন্য রিমান্ডের জন্য আদালতে হাজির করবে।

 

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)

.