Red Fort Blast: দিল্লিতে রক্ত ঝরানো সন্ত্রাসী ডাক্তারদের তিলে তিলে কষ্ট দেওয়া শুরু! একটা কড়া পদক্ষেপেই...

Terror Doctors: জাতীয় মেডিকেল কমিশন দিল্লি বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত জৈশ-এ-মোহম্মদ সন্ত্রাস মডিউলের চারজন ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছে। নোটিশে বলা হয়েছে, এদের আর ভারতের কোনও জায়গায় চিকিৎসা পেশা চালানোর বা কোনও মেডিক্যাল পদধারনের অধিকার নেই।

সৌমিতা খাঁ | Updated By: Nov 15, 2025, 02:04 PM IST
Red Fort Blast: দিল্লিতে রক্ত ঝরানো সন্ত্রাসী ডাক্তারদের তিলে তিলে কষ্ট দেওয়া শুরু! একটা কড়া পদক্ষেপেই...

অয়ন শর্মা: দিল্লিতে লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় যে চার জন চিকিৎসকের নাম উঠে এসেছে, তাঁদের লাইসেন্স বাতিল করে দিল জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন। শুক্রবার এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, এই চার চিকিৎসক দেশের আর কোথাও কখনও প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। চার জনেরই ভারতীয় মেডিক্যাল রেজিস্টার  এবং জাতীয় মেডিক্যাল রেজিস্টার বাতিল করা হয়েছে।

Add Zee News as a Preferred Source

আরও পড়ুন:Bihar Assembly Election 2025: নীতীশকে ছাড়াই কি বিহারে সরকার গঠন করতে পারে বিজেপি? অংক কী বলছে!

মেডিক্যাল কমিশন বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, আদিল আহমেদ রাথর, মুজাফ্ফর আহমেদ, মুজ়াম্মিল শাকিল এবং শাহীন সঈদের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে। গত ১০ নভেম্বর দিল্লির বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তের সূত্রে যে ধরনের তথ্যপ্রমাণ উঠে এসেছে, তার ভিত্তিতেই চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হল।

উল্লেখ্য, শ্রীনগরের নাগাম থানায় বাজেয়াপ্ত করা বিস্ফোরকের স্যাম্পলিং চলতে চলতেই শুক্রবার রাতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। মৃত্যু ৯ জনের, আহত ২৯। অধিকাংশই পুলিস, ফরেন্সিক দফতর ও রাজস্ব কর্মী। রাত প্রায় ১১টা ২৫ মিনিটে ফরেন্সিক দলের সামনে থাকা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট-সহ অতি অস্থির বিস্ফোরক আচমকাই ফেটে যায়। 

আরও পড়ুন:Srinagar Naugam Police Station Blast: দিল্লির ঘা না শুকোতেই রক্তাক্ত কাশ্মীর! ভয়ংকর বিস্ফোরণে মৃত ৯...

আহতদের ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৯২ বেস হাসপাতাল এবং শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এসকিমস)-এ নিয়ে যাওয়া হয়। সিনিয়র পুলিস কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে। থানার ভবনের বড় অংশ ধসে পড়ে, ভস্মীভূত হয় বহু গাড়ি। আশপাশের বাড়িতেও কাঁচ ভাঙার শব্দে আতঙ্ক। জৈশ-এ-মোহম্মদের পোস্টার ঘিরে অক্টোবরের মাঝামাঝি শুরু হওয়া তদন্তেই এই বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছিল। সন্দেহ ছিল বড় আন্তঃরাজ্য জঙ্গি মডিউলের। তদন্তের সূত্র ধরে পুলিস ফরিদাবাদ ও সাহারানপুরে পৌঁছয়। তদন্তে নেমে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার ১৫ জন- কয়েকজন চিকিৎসক এবং এক ইমাম-সহ।

ফরিদাবাদের আল-ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, পটাশিয়াম নাইট্রেট, সালফার, তৈরি অস্ত্র ও বিপুল গোলাবারুদ। মূল অভিযুক্ত উমর নবিরের বাড়ি ইতিমধ্যেই বিস্ফোরক মজুতের অভিযোগে উড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)

About the Author

Soumita Khan

আশুতোষ কলেজ থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়-- সাংবাদিকতা নিয়েই পড়াশোনা। আন্তর্জাল সাংবাদিকতায় পেশাগত হাতেখড়ি। লেখেন সব বিষয়েই, তবে ক্রাইমের খবরের আনাচকানাচে ঘোরাঘুরিতে বেশি আগ্রহ। অনুক্ষণ শিক্ষানবিশ...

...Read More

.