)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নয়ডায় নিক্কি খুনে সামনে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের খবর, বিপিনের পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিল। নিক্কি এবং কাঞ্চন সেই সম্পর্ক হাতেনাতে ধরে ফেলেন।
গত বছরের অক্টোবরেই সেই মহিলা, যাঁর সঙ্গে বিপিনের সম্পর্ক ছিল। তিনি একটি FIR দায়ের করেছিলেন। যেখানে তিনি অভিযোগ করেন- বিপিন ও তার বন্ধু তুষার তাকে গ্রাম থেকে ডেকে নিয়ে গাড়িতে তুলে জোর করে নিয়ে যান। তারপর তাঁকে মারধর করেন, গালিগালাজ করেন, ফোন কেড়ে নেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।
নিক্কি খুনে বিভ্রান্তি ও সন্দেহ:
২১ আগস্ট, নিকিকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় ফরটিস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের মেডিক্যাল-লিগ্যাল নথিতে বলা হয়, পুড়ে যাওয়ার কারণ নাকি 'সিলিন্ডার বিস্ফোরণ'। কিন্তু পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কোনও প্রমাণ পায়নি। বরং একটি থিনারের বোতল ও লাইটার উদ্ধার করা হয়েছে-যা দেখে বোঝা যায় যে নিক্কির গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী নিক্কির বোন কাঞ্চনের বক্তব্য:
নিক্কির বোন কাঞ্চন পুলিসের কাছে বলেন, বিপিন ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা নিক্কিকে আগুনে পুড়িয়ে খুন করেছে এবং তারপর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। অন্যদিকে, বিপিনের পরিবার পুলিসকে জানায়, 'আমরাই তো তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছি, যদি আমরা পোড়াতাম তাহলে হাসপাতালে নিয়ে যেতাম কেন?'- এই প্রশ্ন তুলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
কাঞ্চনের করা ভিডিয়োতে জোরাল প্রমাণ:
কাঞ্চনের সেই দিনের ঘটনা রেকর্ড করেন। সেখানে দেখা যায়, নিক্কিকে তাঁর স্বামী বিপিন এবং শাশুড়ি দয়াবতী মিলে মারধর করছে। অন্য একটি ভিডিয়োতে দেখা যায়, জ্বলন্ত অবস্থায় নিক্কি সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসছেন।
ইতোমধ্যেই পুলিস CCTV ফুটেজ, কল ডিটেইলস ও লোকেশন ডেটা যাচাই করে দেখছে, তখন কে কোথায় ছিল। হাসপাতালে কারা নিয়ে গিয়েছিল—তা জানার জন্য ফরটিস হাসপাতালের CCTV ফুটেজও সংগ্রহ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বিপিনের বাবার দোকানের CCTV-তেও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিন্তু তখন বিদ্যুৎ না থাকায় নাকি কিছুই রেকর্ড হয়নি।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)