)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বেঙ্গালুরু শহরের সোলদেবনাহল্লি এলাকায় এক পেইং গেস্টের মালিকের বিরুদ্ধে কলেজ ছাত্রীর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
পুলিস সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আশরাফ ওই পেইং গেস্ট হাউজের মালিক এক ছাত্রীকে, যে মাত্র দশদিন আগে থাকতে শুরু করেন তাঁর বাড়িতে তাকে ধর্ষণ করে। ছাত্রীটি বেঙ্গালুরুর একটি নামী কলেজের ছাত্রী। রাতে, মালিক আশরাফ, তাকে বলে যদি ছাত্রীটি তাকে সহযোগিতা করে তবেই রাতে খাবার পাবে এবং তার বাড়িতে থাকতে পারবে। মেয়েটি রাজি না হলে জোর করে তাকে গাড়িতে নিয়ে যায় এবং একটি নির্জন স্থানে গিয়ে যৌন নিপীড়ন চালান বলে অভিযোগ।
এই ঘটনার পর ছাত্রী সোলদেবনাহল্লি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিস তাঁর অভিযোগ এবং প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে আশরাফকে গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে তদন্ত চলছে।
সামাজিক পরিপ্রেক্ষিত:
পেইং গেস্ট হাউজ বা PG থাকা অনেক ছাত্রছাত্রীর জন্য অর্থনৈতিক ও ব্যবহারিকভাবে সুবিধাজনক। তবে অনেক ক্ষেত্রেই এই জায়গাগুলোর নজরদারি, নিরাপত্তা এবং নীতিগত গঠন দুর্বল থাকে। এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি সমাজে নারীদের স্বাধীনভাবে বসবাস এবং শিক্ষার সুযোগ গ্রহণে ভীতির পরিবেশ তৈরি করে।
আইনি দৃষ্টিকোণ:
ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী (IPC 376), ধর্ষণ একটি গুরুতর অপরাধ যার জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারে। অভিযোগে “মিথ্যা প্রলোভন” ও “নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে নিপীড়ন” এর মতো উপাদান থাকায়, এটি পূর্ব পরিকল্পিত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে
নিরাপত্তা ও সচেতনতা:
ছাত্রছাত্রীদের জন্য PG নির্বাচনের সময় মালিকের তথ্য, স্থানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, CCTV, এবং পূর্ব অভিজ্ঞতার খোঁজ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সাহস করে অভিযোগ দায়ের করাটা যেমন প্রশংসনীয়, তেমনি প্রশাসনের দায়িত্ব সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা।
এই ঘটনা শুধু একটি অপরাধ নয়, বরং এটি নারী নিরাপত্তা ও সমাজের বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন তোলে। যদি আপনি চান, আমি নারীর সুরক্ষা সংক্রান্ত আইনগুলির একটি তালিকা বা ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তামূলক গাইডলাইনও দিতে পারি।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)