)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: টানা ২৫ বছর পড়িয়েছেন। অবসর নেওয়ার পর প্রবল বিপাকে পড়ে গেলেন পুণের এক কলেজ শিক্ষিকা। আটকে গেল তার পেনশন ও গ্রাচ্যুইটি। বাধ্য় হয়েই তিনি দৌড়লেন হাইকোর্টে। সেই মামলায় কলেজকে কড়া ধমক দিল বম্বে হাইকোর্ট। শুধু তাই নয়, একপ্রকার জরিমানাও করল।
পুণের একটি কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন ওই মহিলা। হিন্দির পার্ট টাইম শিক্ষিকা হিসেবে তিনি ওই কলেজে যোগ দেন ১৯৮৮ সালে। রীতিমতো বিজ্ঞাপন দিয়ে, ইন্টারভিউ করে নিয়োগ করা হয়েছিল ওই শিক্ষিকাকে। ২০১৯ সালে তাঁকে ফুল টাইম লেকচারার হিসেবে নিয়োগ দেয় কলেজ। কিন্তু অবসর নিতেই বদলে গেলে পরিস্থিতি।
২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর চাকরি থেকে অবসর নেন ওই অধ্য়াপিকা। এর তিন দিন আগে তিনি কলেজ কর্তৃপক্ষকে বলেন তার অবসরের দিনে তার পাওনা গ্রাচ্যুইটি মিটিয়ে দিতে। কোনও উত্তর পাননি। ২০২৪ সালের ১২ এপ্রিল তিনি ফের কলেজের কাছে আবেদন করেন তার পাওনা মিটিয়ে দিতে ও পেনশন চালু করতে। সেই কথাতেও কান দেয়নি কলেজ। বাধ্য হয়েই তিনি বম্বে হাইকোর্টে মামলা করেন।
ওই মামলায় বম্বে হাইকোর্ট বলেন পার্ট টাইম ও ফুল টাইম শিক্ষিকা হিসেবে ওই মহিলার নিয়োগ নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই। তাই তিনি পেনশন ও গ্রাচ্যুইটি পাওয়ার যোগ্য। কলেজ তা আটকে রাখতে পারে না। পাঁচ বছর চাকরি হয়ে গেলে কোনও কোম্পানি বা কর্তৃপক্ষ তার কর্মীকে গ্রাচ্ুইটি দিতে বাধ্য। ওই শিক্ষিকার রেকর্ড অনুযায়ী কলেজের ওই টাকা মেটানোর গড়িমসি আইন বিরুদ্ধ। ফলে ওই পাওনা টাকা ৩০ দিনের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে কর্তৃপক্ষকে। পাশাপাশি ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষকে শিক্ষিকার পাওনা টাকার উপরে ১০ শতাংশ সুদ দিতে হবে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)