)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পণের জন্য ভয়ংকর কাণ্ড করল শ্বশুরবাড়ির লোকজন। নববধূর ঘরে ছেড়ে দেওয়া হল বিষধর কেউটে। সাপের কামড় খেয়ে চিত্কার করতে থাকেন ওই তরুণী। কেউ বাঁচাতে ছুটে আসেনি। শেষপর্যন্ত তিনি ফোন করে বোনকে জানান। তিনি এসে দিদিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। ভয়ংকর ওই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কানপুরে।
সম্প্রতি বিয়ে হয়েছিল রেশমা নামে ওই তরুণীর। তার পরিবার পণের টাকা পুরোটা শোধ করতে পারেনি। বিয়ের সময় তার পরিবার ছেলের পরিবারকে দেয় দেড় লাখ টাকা। তার পরেও ছেলের পরিবারের তরফে আরও ৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়। তা দিতে না পারাতেই অত্যাচার চলতে থাকে রেশমার উপরে। কিন্তু এরকম মেরে ফেলার চক্রান্ত! ভাবতেই পারেননি রেশমা।
পুলিসকে রেশমার বোন রিজওয়ানা জানিয়েছেন, পণের টাকা না দিতে পারায় রেশমাকে একটি ছোট্ট ঘরে আটকে রাখা হয়। আর সেই ঘরের জল নালা দিয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর একটি কেউটে সাপকে ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। সেই সাপের কামোড়ে তীব্র যন্ত্রণায় চিত্কার করতে থাকেন রেশমা। কিন্তু সাহায্যের জন্য কেউ এগিয়ে আসেনি। বরং প্রবল হাসাহাসি করছিল শ্বশুরবাড়ির লোকজন। শেষপর্যন্ত ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন রেশমা। তিনি গিয়ে বোনকে উদ্ধার করেন।
রিজওয়ানার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস রেশমার স্বামী শাহনাওয়াজ, তার বাবা-মা, বড় ভাই, বোন এবং আরও তিনজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। হত্যার চেষ্টা অভিযোগও করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি এখন তদন্তাধীন এবং পুলিস অভিযুক্তদের খোঁজ করছে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)