)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: প্রেমিককে নৃশংস খুন! মনের মানুষের মৃ্ত্যুর কয়েকদিন পরই আত্মঘাতী প্রেমিকা। বৃহস্পতিবার সকালে মহিলার মৃতদেহ তারই বাড়ির কাছে একটি কুঁড়েঘর থেকে পাওয়া যায়। ঘটনাটি ঘটে, বেঙ্গালুরুর রহিমাবাদ থানা এলাকার হামিদ খেদা মাজরা মাওয়াই কালা গ্রামে।
পুলিস জানিয়েছে, প্রেমিকের নৃশংস খুনের পর মহিলা শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। ইতোমধ্যে মহিলার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
জানা গিয়েছে, ১৫ জুন মহিলার প্রেমিককে খুন করা হয়। নিহত সঞ্জয় (৪০)রহিমাবাদ থানা এলাকার হামিদ খেদা মাজরা মাওয়াই কালার বাসিন্দা। তিনি একজন ট্যাক্সি ড্রাইভার ছিলেন। সঞ্জয়ের মা জানান, ১৫ জুন রাত ১২ টায় দুইজন লোক তাদের বাড়িতে আসে। তাকে ধাক্কা দিয়ে বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে।
চালক সঞ্চয় আওয়াজ শুনে ছুটে আসে। তখন আক্রমণকারীরা ঘাস কাটার ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ মারতে থাকে।সঞ্জয়ের মা ছেলের প্রাণের ভিক্ষা করলেও কেউই তার কথায় কান পাতেনি। অভিযুক্ত আক্রমণ চালিয়ে যায়। এবং চিত্কার করে বলতে থাকে 'টুকরো টুকরো করে ফেলব'। আহত ব্যক্তি ছুটে রান্নাঘরের দিকে যায়। পরে কাছের একটি খাল দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু অভিযুক্তরা ধাওয়া করে তাকে ধরে ফেলে। এবং খুন করে।
কেন এই নৃশংস খুন?
জানা গিয়েছে সঞ্জয় ১২ বছর ধরে বিবাহিত ছিল। কিন্তু তার বিচ্ছেদ হয়। তারপর থেকে তিনি তার ছোটবেলার প্রেমিকা মীরার সঙ্গে থাকতেন। অন্যদিকে মীরাও বিবাহিত ছিল। পুলিস জানিয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে এই ঘটনাটি ঘটেছে। সঞ্জয়ের খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী সুনীল এবং তার ছেলে দিব্যাংশকে গ্রেফতার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে সুনীল জানায় যে সঞ্জয় ও তার স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে সে সঞ্জয়কে খুন করে।
আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ...
iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১
কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)