ভোটারদের স্বার্থরক্ষায় নির্বাচনী সংস্কারের পথে কেন্দ্র

ভোটারদের স্বার্থরক্ষায় এবার বড়সড় নির্বাচনী সংস্কারের পথে কেন্দ্র। এবার থেকে আর বুথকেন্দ্রীক ফল প্রকাশ করা হবে না। TOTALISER ব্যবস্থার সাহায্যে কয়েকটি বুথের ভোট মিশিয়ে দিয়ে সেই ফল প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এর ফলে কোন বুথে, কোন দল কটা ভোট পেয়েছে সেই তথ্য গোপনই থাকবে। নতুন ব্যবস্থা চালু হলে ভোট পরবর্তী হিংসা অনেকটাই ঠেকানো যাবে। বাড়বে ভোটারদের নিরাপত্তা।

Updated By: Aug 29, 2016, 08:21 PM IST
ভোটারদের স্বার্থরক্ষায় নির্বাচনী সংস্কারের পথে কেন্দ্র

ওয়েব ডেস্ক: ভোটারদের স্বার্থরক্ষায় এবার বড়সড় নির্বাচনী সংস্কারের পথে কেন্দ্র। এবার থেকে আর বুথকেন্দ্রীক ফল প্রকাশ করা হবে না। TOTALISER ব্যবস্থার সাহায্যে কয়েকটি বুথের ভোট মিশিয়ে দিয়ে সেই ফল প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এর ফলে কোন বুথে, কোন দল কটা ভোট পেয়েছে সেই তথ্য গোপনই থাকবে। নতুন ব্যবস্থা চালু হলে ভোট পরবর্তী হিংসা অনেকটাই ঠেকানো যাবে। বাড়বে ভোটারদের নিরাপত্তা।

ভোটের ফল প্রকাশ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। এবার মসনদে কে? আর ফল প্রকাশ হতেই অন্য উত্তেজনা। এবার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের লড়াই। সাধারণত, যেখানে শাসকদলের ভোটের হার কম, সেখানে লড়াই, সংঘর্ষ আরও বেশি। ভোট পরবর্তী হিংসার এই ছবি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম। দেশের সর্বত্রই এক ছবি।

ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে, ভোটারদের স্বার্থরক্ষায় এবার বড়সড় সংস্কারের উদ্যোগ নিল কেন্দ্র। এবার থেকে আর বুথভিত্তিক ফল প্রকাশ করা হবে না। TOTALISER MACHIENE-এর সাহায্যে বেশ কয়েকটি বুথের ফল মিশিয়ে দিয়ে, সেই ফল প্রকাশ করা হবে। কী এই প্রক্রিয়া?

১. টোট্যালাইজার একটি ইন্টারফেস, যার সঙ্গে একই সময়ে একাধিক EVM যুক্ত করা যায়।

২. প্রার্থীদের প্রাপ্ত মোট ভোট টোটালাইজারের রেজাল্ট বোতাম টিপে জানা যাবে।

আরও পড়ুন জেনেই হোক অথবা না জেনেই, নীল আলো শহরে বসানোর জন্য ধন্যবাদ দিতে চাই মুখ্যমন্ত্রীকে

৩. প্রার্থীরা কোন বুথে, কটা ভোট পেয়েছেন, সেই হিসেব প্রকাশ করার কোনও প্রয়োজন নেই।

৪. মোট ফল প্রকাশের আগে, কোন EVM-এ কত ভোট পড়েছে, তা রেকর্ড করা হবে।

৫. প্রতিটি EVM-এর আইডেন্টিফিকেশন নম্বরও রেকর্ড হবে টোটালাইজারে।

৬. যদিও সেই তথ্য গোপন রাখা যাবে।

উদ্যোগ এই প্রথম নয়।

১. EVM ব্যবহারের আগে ব্যালট পেপার মিশিয়ে এভাবেই ভোট গণনা হত।

২. EVM চালুর পর ২০০৮ সালে প্রথম ভোট মিশিয়ে গণনার প্রস্তাব দেয় নির্বাচন কমিশন।

৩. বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

৪. কমিটির প্রস্তাব খতিয়ে দেখে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রক।

৫. নতুন বিধি কার্যকর করতে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন নেই।

আরও পড়ুন রেলের অনলাইন টিকিট ক্যানসেলের জন্য আপনাকে ঠিক কত টাকা দিতে হবে জানুন

৬. নির্বাচন বিধি সংক্রান্ত আইন ১৯৬১-তে পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন বিধি চালু করা যাবে।

টোটালাইজার প্রক্রিয়া নিয়ে গত মার্চ মাসেই একটি সর্বদল বৈঠকে আলোচনা করে নির্বাচন কমিশন। অধিকাংশ রাজনৈতিক দল নতুন বিধির পক্ষে সায় দিলেও, কয়েকটি দল আপত্তি জানিয়েছে। তবে সব ঠিক থাকলে, খুব দ্রুতই নতুন এই টোটালাইজার বিধি চালু করতে চলেছে কেন্দ্র।