)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিবাহ বিচ্ছেদের পর মেয়ে থাকবে কার কাছে। এনিয়ে হওয়া একটি মামলায় মর্মান্তিক পরিণতি হল কিশোরী কন্যার। বাবা-মার তিক্ত সম্পর্কের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর মেয়ের কাস্টডির মামলায় মাদ্রাজ হাইকোর্টের বেঞ্চ দুপক্ষের কথা শোনে। সেই কথা শোনার পর বেঞ্চ রায় দেয় বিবাহবিচ্ছিন্ন যুগলের যে অবস্থা তাতে তাদের কিশোরী কন্যাকে কারও কাছেই রাখা নিরাপদ নয়। ফলে কিশোরী মেয়েকে শিশুদের হোমে যেতে হবে।
ওই রায় শোনার পর দুপক্ষই যে যার মতো আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে যায়। আর তারপরেই ঘটে যায় মারাত্মক ঘটনা। কিশোরী ওই কন্যা কোর্টরুম থেকে বেরিয়ে সামনে থাকা বারান্দা থেকে নীচে ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুহূর্তে হইচই পড়ে যায় আদালত চত্বরে। ছুটে আসে পুলিস। সঙ্গে সঙ্গেই ওই কিশোরীকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজীব গান্ধী গভর্নমেন্ট হাসপাতালে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই কিশোরী এখন হাসপাতালে ভর্তি।
জানা যাচ্ছে ওই কিশোরীর বাবা একলা থাকেন নীলাঙ্কারইতে। মা থাকেন আন্দামানে। কিশোরী তার বাবার সঙ্গে থাকতে রাজী নয়। সে থাকতে চায় মায়ের সঙ্গে। সম্প্রতি তার বাবা বহু দিন মেয়েকে না দেখতে পেয়ে মামলা করেন। অনুরোধ করেন মেয়েকে দেখানো হোক। পুলিস শেষপর্যন্ত খুঁজে পায় যে ওই কিশোরী তার দিদার সঙ্গে থাকছে। সেখান থেকেই তাকে আদালতে হাজির করে পুলিস।
মঙ্গলবার ওই কিশোরীকে মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি এম এস রমেশ ও বিচারপতি ভি লক্ষ্মীনারায়ণের বেঞ্চে হাজির করে পুলিস। আদালতের নির্দেশমতো আগেই ওই কিশোরীর কাউন্সেলিংয় করা হয়েছিল। সেখানে কাউন্সিলর পরামর্শ দেন যে ওই কিশোরীকে কোনও মনবিদের কাছে পাঠাতে হবে। কাউন্সেলরের রিপোর্টে দেখে দুই বিচারপতি বলেন, আন্দামানে ওই কিশোরীর থাকার মতো পরিস্থিতি নেই। আবার বাবার সঙ্গেও সে থাকতে রাজী নয়। ফলে সে চিল্ড্রেন হোমেই ভালো থাকবে। মা ও দিদা তার সঙ্গে দেখা করতে পারবে। ওই রায় শুনেই মারাত্মক পদক্ষেপ নিয়ে নেয় ওই কিশোরী।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)