)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইন্ডিগো 6E-2142 বিমানের ২ চালককে বসিয়ে দিল DGCA। তদন্তের স্বার্থেই তাঁদের বসানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন DGCA-র এক আধিকারিক। আর তারপরই প্রশ্ন উঠছে, 'টার্বুলেন্স' পেরিয়ে যারা বাঁচাল, তারাই পেল শাস্তি! কারণ সেদিনের ভয়ংকর অভিজ্ঞতার পর প্রত্যেক যাত্রী-ই বিমানচালকদের দক্ষতার প্রশংসা করেছিলেন। ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন ওই বিমানের-ই যাত্রী তৃণমূল নেত্রী সাগরিকা ঘোষও।
দিল্লি-শ্রীনগর ইন্ডিগো ফ্লাইটে ভয়ংকর 'টার্বুলেন্স'!
বুধবার দিল্লি থেকে ২২৭ জন যাত্রীকে নিয়ে শ্রীনগর যাওয়ার সময় মাঝ আকাশে 'টার্বুলেন্স'-এর মধ্যে পড়ে ইন্ডিগো 6E-2142 বিমানটি। তবে সেই 'টার্বুলেন্স' পেরিয়ে শেষমেশ শ্রীনগর পৌঁছয় বিমানটি। নিরাপদেই অবতরণ করেন ২২৭ জন যাত্রী। যদিও অবতরণের পর দেখা যায় যে বিমানটির সামনের "নাক" অংশটি ভেঙে বেরিয়ে গিয়েছে! সেদিনের জার্নি সম্পর্কে বিমানের প্রত্যেক যাত্রী-ই বলেন, 'মৃত্যুর কাছাকাছি অভিজ্ঞতা! মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলাম!'
পাইলটের অনুরোধ ফেরায় পাকিস্তান!
এরপরই শুক্রবার ঘটনা সম্পর্কে একটি বিস্তারিত বিবৃতি দেয় ডিজিসিএ। বিবৃতিতে DGCA জানায়, পাঠানকোটের কাছে শিলাবৃষ্টির মধ্যে পড়তেই শুরু হয় 'টার্বুলেন্স'। তখন পাকিস্তানের আকাশসীমায় ঢোকার অনুমতি চেয়েছিলেন পাইলট। কিন্তু পাকিস্তান ফিরিয়ে দেয় ভারতীয় বিমানচালকের সেই অনুরোধ। শেষে ঝড়বৃষ্টির মধ্যে দিয়েই 'শর্টেস্ট রুটে' শ্রীনগর যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কারণ ঝড়ের কাছাকাছি থাকায়, ফিরে আসাটা আরও বেশি বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যেত।
ঝড়ের মধ্যে দিয়েই শ্রীনগরে!
এই ঝড়ের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময়ই বিমানের মধ্যে ব্যাপক উথাল-পাথাল হয়, যাকে বলে "extreme updrafts and downdrafts" হয়! 'টার্বুলেন্সে'র সময় বিমানের অটো-পাইলট আর কাজ করেনি। বিমানের গতিও কম-বেশি হতে থাকে। শ্রীনগর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলে (SXR ATC)জরুরি অবস্থার কথা ঘোষণা করেন পাইলট। সন্ধ্যা ৬টা ৩০ নাগাদ শ্রীনগর বিমানবন্দরে অবতরণ করে বিমানটি।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)