)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রাস্তা থেকে কুকুর সরাতে হবে, সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পর দেশজুড়ে তোলপাড় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এই আবহেই জনতা দল নেতা এবং কর্ণাটক এমএলসি এসএল ভোজেগৌড়া ভয়ংকর দাবি করেছেন। তিনি দাবি করেন যে, চিকমাগলুর পৌরসভার প্রধান থাকাকালীন তিনি ২৮০০ সারমেয়কে মেরে ফেলার তদারকি করেন। শুধু তাই নয়, তিনি জোর গলায় দাবি করেন যে, শিশুদের রক্ষা করার জন্য এই সিদ্ধান্তের প্রয়োজন ছিল।
কর্ণাটক বিধান পরিষদে দাঁড়িয়ে ভোজেগৌড়া বলেন, 'আমরাও পশুদের প্রতি সহানুভূতিশীল। কিন্তু পশুপ্রেমীরাও একটা সমস্যা। আপনি যদি ছোট শিশুদের যন্ত্রণা দেখেন—প্রতিদিন খবরের কাগজে ও টিভিতে এসব দেখা যায়। এটা প্রতিদিনই ঘটছে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা মাংসের বিষ মিশিয়ে প্রায় ২৮০০ কুকুরকে খাওয়াই। তারপর তাদের নারকেল গাছের নিচে কবর দিই। শিশুদের নিরাপত্তার জন্য দরকার হলে জেলেও যাব।' কর্ণাটকের এক সংবাদ মাধ্যমে ভোজেগৌড়া আরও জানান যে, কুকুরগুলিকে বিষ মেশানো মাংস খাওয়ানো হয়েছিল, এরপর তাদের নারকেল বাগান ও কফি এস্টেটে কবর দেওয়া হয়।
ভোজেগৌড়া যুক্তি দেন যে, পথের সারমেয়রা দরিদ্র পরিবারের শিশুদের উপর আক্রমণ করে। সারমেয়রা বিচারক, মন্ত্রী, বা বিধায়কের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিদেরকে তাড়া করে না। কারণ তাঁরা রাস্তায় হাঁটেন না। আইনজীবীর এই মন্তব্য ব্যাপক তোলপাড় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
সম্প্রতি কর্ণাটকে বেশ কয়েকটি পথকুকুরের আক্রমণের ঘটনা এই বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। বেঙ্গালুরুর আম্বেদকর স্কুল অফ ইকোনমিকস ইউনিভার্সিটির দুই এমএসসি ছাত্র কুকুরে কামড় খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। গত মাসে, কোদিগেহাল্লিতে ৭০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি বাড়ির সামনে কুকুরের আক্রমণে মারা যান।
পুরনো হুব্বল্লীর সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তিন বছর বয়সী এক শিশুকে কয়েকটি কুকুর টেনে হিঁচড়ে নিয়ে কামড়াচ্ছে। তার কাঁধ, পিঠ, পা ও হাতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং তাকে কিমস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)