)
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা আজই আসছেন কলকাতায়। আর তার মধ্যেই ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের দুটি অফিসে হানা দিল ইডি। পাশাপাশি আইপ্যাকের প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতেও হানা দেয় ইডি। সেই খবর পেয়েই লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও পুলিস কমিশনার। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী চলে যান আইপ্যাকের অফিসে। দুই জায়গা থেকেই ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন। এরপরেই তিনি বলেন, 'ক্ষমতা থাকলে ১০ কোটি বঙ্গবাসীকে জেলে ঢোকাও'। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'ইডি ডাকাতি করেছে'। বিকেল ৪টে ব্লকে বল্কে প্রতিবাদের ডাক দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Jalpaiguri: বিরিয়ানিতে মেশানো হচ্ছে বাসি ও পচা মাংস। ভাইরাল ভিডিওকে ঘিরে হইচই শহর জলপাইগুড়িতে। এই অভিযোগ পেয়ে জলপাইগুড়ি শহরে বিরিয়ানির দোকানগুলিতে আচমকা অভিযান চালাল ফুড সেফটি ও ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর। অভিযানে শহরের ডিবিসি রোডে একটি বিরিয়ানির দোকানে ফ্রিজে বাসি মাংস মিলতেই তা ফেলে দেন আধিকারিকরা। দোকান মালিককে ধমক দেওয়া হয়। ওই দোকানেই মটন ও চিকেন একসঙ্গে রান্না করার ঘটনা সামনে আসে। এনিয়েও দোকান মালিককে সতর্ক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের জলপাইগুড়ির সহকারি অধিকর্তা দেবাশিস মণ্ডল।
Midnapur: সরকারি ইরিগেশনের খালের ধারে জায়গা সহ-শ্মশান বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ স্থানীয় অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি বিরুদ্ধে,হাত প্রতি ৩৫ হাজার টাকা মূল্যে দেদার জায়গা বিক্রি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূল নেতার। স্থানীয় বিধায়কের অভিযোগে।
জায়গা বেআইনি ভাবে বিক্রি করেছেন তৃণমূল নেতা। এমনই অভিযোগ বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্ডার। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার তমলুক ব্লকের শ্রীরামপুর-১ গ্রামপঞ্চায়েতের তেলিপোতা বাজারের ওই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে।চিত্তরঞ্জন শ্রীরামপুর গ্রামের তেলিপোতা বাজারে হাঁসুয়াখালি খালের বাঁধ সংলগ্ন রাস্তার পাশে বেশকিছুটা জায়গা লম্বা করে বেড়া দিয়ে ঘিরে দেন বলে অভিযোগ। এ নিয়ে চিত্তরঞ্জনের দাদা জ্যোৎস্না ভৌমিক ব্লক প্রশাসন ও পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পত্রে বলা হয়, খালের বাঁধের পাশে সর্বসাধারণের যাতায়াতের রাস্তার ওই জায়গা টাকার বিনিময়ে বেআইনি ভাবে বিক্রি করছেন চিত্তরঞ্জন। এছাড়াও খালের পাশে থাকা শশ্মানের জায়গা বিক্রির চেষ্টা হচ্ছে।
খালের ধারে ওই এলাকা পরিদর্শনে যান ময়নার বিধায়ক অশোক। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। তার পরেই অশোকের অভিযোগ, "খাল পাড়ের সর্বসাধারণের ব্যবহারের জায়গা তৃণমূল নেতারা মোটা টাকার বিনিময়ে বিক্রি করছে। খালের পাশে সরকারি গাছ কেটে নিয়েছে। সর্বসাধারণের জায়গা কী ভাবে তৃণমূল নেতা বিক্রি করে সেই বিষয়ে বিডিও ও ভূমি সংস্কার দফতরের কাছে জানানো হয়েছে।"
যদিও গ্রামপঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি চিত্তরঞ্জনের দাবি, "তেলিয়াপোতা বাজারের কাছে ৭৬০ দাগে যে জায়গা নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ তুলেছেন, তা সম্পূর্ণ রায়ত জায়গা। ওই জায়গা আমি-সহ পাঁচজন কিনেছি। ওখানে রাস্তা বলে কিছু নেই। আর ওই জায়গায় খালের উল্টোদিকে ৭৬২ দাগে শশ্মানের জায়গা রয়েছে। শশ্মানে যাতায়াতের জন্য আলাদা রাস্তাও রয়েছে। আমরা নিজেদের রায়ত জায়গা ঘিরে দিয়েছি। টাকার বিনিময়ে ওই জায়গা বিক্রির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।"
SIR in Bengal: কমিশনের নির্দেশিকা থাকলেও ভোগান্তির শেষ নেই, হুইলচেয়ারে করে প্রতিবন্ধী ছেলেকে শুনানি কেন্দ্রে আনতে বাধ্য হলেন বাবা।কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশিকা অনুযায়ী শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী, চলাচলে অক্ষম ও প্রবীণ ভোটারদের ক্ষেত্রে বাড়িতে গিয়েই শুনানির ব্যবস্থা করার কথা। কিন্তু বাস্তবে সেই নির্দেশিকার উল্টো ছবিই ধরা পড়ল বর্ধমানের জেলাশাসকের দপ্তরে । স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় চাপান উতর শুরু হয়েছে শাসক বিরোধী। বিজেপির দাবী রাজ্য প্রশাসন এসআইআরে মানুষ যাতে হয়রানির শিকার হয় তার জন্য সব রকম ব্যবস্থা করছে।
পাল্টা তৃণমূল কংগ্রেসের দাবী,কমিশন পরিকল্পনা হীন কাজ চাপিয়ে দিয়েছে। তার খেসারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ।
বর্ধমান শহরের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী তারকনাথ ঘোষ (৩২)। নিজে চলাফেরা করতে অক্ষম তারকনাথের বাবা তপন কুমার ঘোষের অভিযোগ, প্রথমে বিএলও-র তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে আর শুনানি কেন্দ্রে আসতে হবে না, প্রতিবন্ধী হওয়ায় বাড়িতেই সমস্ত ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু পরে বিএলও-র পক্ষ থেকে আর কোনও যোগাযোগ করা হয়নি।
Nadia: মেডিকেল কলেজ নয় এবার সরকারি হাসপাতালেই অস্ত্রোপচার বড় সাফল্য শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাব, ব্লাড ব্যাংকের অনুপস্থিতি সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও একমাত্র লক্ষ্য ছিল রোগীর প্রাণ বাঁচানো। সেই লক্ষ্যেই শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে সফলভাবে সম্পন্ন হল প্রায় পাঁচ কেজি ওজনের জরায়ু টিউমার অপসারণ। এই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নতুন জীবন ফিরে পেলেন দরিদ্র পরিবারের ৪৩ বছর বয়সী হাসিনা বিবি। নদিয়ার শান্তিপুরের বেড়পাড়ার বাসিন্দা পিন্টু উদ্দিন আলীর স্ত্রী হাসিনা বিবি মাস কয়েক আগে গুরুতর অসুস্থতায় ভুগতে শুরু করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর জরায়ুর টিউমারের আকার ও ওজন অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে। আর্থিক অনটনের কারণে বেসরকারি হাসপাতাল বা বড় মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা করানো তাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। তাই একমাত্র ভরসা ছিল সরকারি হাসপাতাল। শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে গাইনোকলজিস্ট ডা. পবিত্র বেপারীর নেতৃত্বে চারজন চিকিৎসককে নিয়ে একটি বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। রোগীর শারীরিক অবস্থা এবং টিউমারের ভয়াবহতা বিচার করে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে হাসপাতালের নিজস্ব ব্লাড ব্যাংক না থাকা। তবুও চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রয়োজনীয় রক্তের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়। অ্যানেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ, গাইনোকলজিস্ট ও আরও দুই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের দীর্ঘ সময়ের নিরলস প্রচেষ্টায় সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। অস্ত্রোপচারের আগে পরিবার উদ্বেগে থাকলেও চিকিৎসকেরা তাঁদের আশ্বস্ত করেন। শেষ পর্যন্ত সেই আশ্বাসই বাস্তব হল হাসিনা বিবি সুস্থ আছেন এবং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন।হাসিনা বিবির স্বামী পিন্টু উদ্দিন আলী জানান, সরকারি হাসপাতালে এমন জটিল ও উন্নত চিকিৎসা পাওয়া যাবে, তা তিনি ভাবতেই পারেননি। তিনি চিকিৎসকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। অস্ত্রোপচারের পর ডা. পবিত্র বেপারী জানান, শুরুতে পরিস্থিতি এতটা আশঙ্কাজনক না হলেও সময়ের সঙ্গে তা প্রাণঘাতী হয়ে উঠছিল। অস্ত্রোপচার ছাড়া আর কোনও পথ ছিল না। সীমিত পরিকাঠামোর মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমানে হাসিনা বিবি সম্পূর্ণ সুস্থ। পাঁচ কেজি ওজনের সেই জরায়ু টিউমার সত্যিই তাঁর জীবনের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছিল।
Canning: ১০০ টাকার নোট ছেঁড়া কে কেন্দ্র করে এক দম্পতিতে কে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠলো প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় আক্রান্ত দম্পতি ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে ক্যানিংয়ের তালদি পঞ্চায়েতের আঁধলা বাসিন্দা বাবুর আলি গাজি। এদিন প্রতিবেশী জয়ন্ত দাসের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেই সময় একটি ১০০ টাকার নোট নিয়ে দুজনের মধ্যে টানাটানি হয়। নোট টি ছিঁড়ে যায়। নোট ছিঁড়ে গেলেও কোন কথাই বলেননি জয়ন্ত। অভিযোগ নোট ছেঁড়া নিয়ে প্রতিবেশী গড়ুর দাস ও ধনু দাস বচসা শুরু করে বাবুর আলির সাথে। অভিযোগ বচসার সময় আচমকা মারধর করতে থাকে। এমন কি স্বামীকে মারধরের হাত থেকে উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে রজিনা কে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আরো অভিযোগ দম্পতিকে মারধর করার পাশাপাশি চোখে মুখে আঁচড় দেয় বলে অভিযোগ। স্থানীয়রা জখম দম্পতিকে উদ্ধার করে। চিকিৎসার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। জখম দম্পতির দাবী,যার নোট ছিঁড়ে গিয়েছে তিনি কিছু বলেননি। অথচ ধনু ও গড়ুর দাস তাদের কে বেধড়ক মারধর করে। ঘটনার বাষয়ে ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করবো।
SIR in Bengal: এসআইআরের আতঙ্কে আবার মৃত্যুর অভিযোগ এক ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ছুটে গেলেন মন্ত্রী। ঘটনাটি মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ২নং ব্লকের মশালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহনপুর এলাকার। আগামী ১৩ তারিখ ওই মহিলার শুনানির তারিখ নির্ধারণ হয়েছিল। আর এস আই আর শুনানির নোটিশ আসার পর থেকেই আতঙ্কে ভুগছিলেন ৮০ বছরের বৃদ্ধা সাবেরা বিবি। শুনানি আতঙ্কে খাওয়া-দাওয়া পর্যন্ত ছেড়ে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ পরিবারের।
গত পরশুদিন হরিশ্চন্দ্রপুর দু'নম্বর ব্লক প্রশাসনিক ভবনে শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে ছেলের সঙ্গে বাইকে করে যাচ্ছিলেন। হঠাৎই বাইক থেকে মাথা ঘুরে রাস্তায় পড়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে চাঁচল মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে অবস্থার অবনতি হওয়ায় গতকালই তাকে মালদা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতা নিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল আজকে। তবে কলকাতা পৌঁছানোর আগেই রাস্তাতেই ওই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। মৃত বৃদ্ধা সাবেরা বিবির ছেলে এনামুল হকের অভিযোগ, এই অভিশপ্ত এস আই আর এর কারণে আমি আমার মাকে হারালাম। আমি চাই এই অমানবিক এস আই আর বন্ধ হোক। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে মৃত মহিলার বাড়িতে ছুটে যান রাজ্যের মন্ত্রী তথা এলাকার বিধায়ক তজমুল হোসেন। তিনি ঘটনাস্থল থেকে বিষয়টি জেলা প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রীকে ফোনে জানান। তজমুল বলেন অমানবিক ঘটনা। আমি বিষয়টি জেলা এবং রাজ্য প্রশাসনকে জানিয়েছি।বিজেপির ষড়যন্ত্রে এমন ঘটনা ঘটছে। যদিও বিজেপির নেতা দেবাসিস পাসমান বলেন তৃণমূল ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে এটা নির্বাচন কমিশনের কাজ। এস আই আরের সঙ্গে বিজেপি কোন মতেই জড়িত নয়। নির্বাচন কমিশন এই কাজ তত্ত্বাবধান করছে। এবার উনি কেমন করে মারা গেলেন সেটা জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করা ঠিক নয়।
Siliguri Fire: শিলিগুড়ি এসডিও অফিসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এস আই আর (SIR) প্রক্রিয়া চলাকালীনই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে এগারোটা নাগাদ এসডিও অফিস ভবনের ভেতর থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় প্রধান নগর থানার পুলিশ ও দমকল বিভাগে। ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছয় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের তৎপরতায় প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে এই অগ্নিকাণ্ডে বিপুল পরিমাণ সরকারি নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে।
যে সমস্ত ঘরে আগুন লেগেছিল, সেগুলি মূলত ম্যাজিস্ট্রেট অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ওই ঘরগুলির সঙ্গে যুক্ত দপ্তরের আধিকারিকদের খবর দেওয়া হয়েছে। সকালেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কতটা, তা স্পষ্টভাবে জানা যাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে।
দমকল বিভাগের ফায়ার অফিসার ধীরেন্দ্র কুমার রায় জানান, “দমকলের দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কী কারণে আগুন লেগেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, যে ঘরগুলিতে আগুন লাগে, সেখানে এস আই আর-এর কাজ হচ্ছিল না। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ইউপিএস ব্লাস্টের কারণেই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছে প্রশাসন। তবে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় প্রশাসনিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)