)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পণের চাপে হানিমুন থেকে ফিরেই আত্মঘাতী ২৬-এর যুবতী গণভি। মেয়েকে হারিয়ে ভেঙে পড়ে পরিবার। গণভির বাবা স্বামী সুরজ এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। অভিযোগ দায়ের করার পরই পলাতক ছিল সুরজ ও তার পরিবার। গণভির মৃত্যুর দুদিন পরই ঘটনার মোড় একেবারে ঘুরে গেল।
গত বৃহস্পতিবার গণভির মৃত্যু হয়। ঠিক তার দু'দিন পর শনিবার নাগপুরের এক হোটেল থেকে সুরজকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সেই হোটেলেই আত্মহত্যার চেষ্টা করে সুরজের মাও। যদিও তিনি বর্তমানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। সুরজ ও তার মায়ের আত্মহত্যার খবর দেয় ভাই সঞ্জয় শিবন্না।
জানা গিয়েছে, গণভির মৃত্যুর পর শহরজুড়ে তীব্র কটাক্ষের মুখে সুরজ ও তার মা। তারপর তারা বেঙ্গালুরু থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে গিয়ে নাগপুরে চলে যায়। সেখানেই হোটেলের ঘরে সিলিং ফ্যানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয় সুরজ। ইতোমধ্য়েই সুরজের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এবং তার মা স্থানীয় হাসপাতালে জীবনের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
২৯ অক্টোবর বেঙ্গালুরুতে সুরজ-গণভির বিয়ে হয় এবং পরবর্তীতে তারা তাদের হানিমুনের জন্য শ্রীলঙ্কা যান। তবে সেখানে গিয়েও ঝগড়া হলেও তারা সময়ের আগে সেখান থেকে চলে আসে। এবং গত সপ্তাহে তারা বেঙ্গালুরুতে ফিরে আসেন।
গণভির পরিবারের দাবি, তাদের মেয়েকে সেখানে প্রতিনিয়ত অপমান করা হত। তাই মেয়ে চলে আসে। গত মঙ্গলবার গণভি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁর ব্রেন ডেড ঘোষণা করা হয় এবং ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার তিনি মারা যান।
গণভির ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে, পরিবার গণভির দেহ নিয়ে সুরজের বাড়িতে যায় এবং হয়রানির অভিযোগ তুলে এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ করে। বিদ্যারণ্যপুরা পুলিস হস্তক্ষেপ করে এবং মৃতদেহটি ফিরিয়ে নিতে তাদের রাজি করায়।
গণভির বাবা শশীকুমার এফআইআর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে, রামমূর্তি নগর পুলিস সুরজ এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে যৌতুক হত্যার মামলা দায়ের করেছে। শশীকুমার অভিযোগ করেছেন যে ২৯ অক্টোবর বিয়ের পরপরই তার মেয়েকে যৌতুকের জন্য হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন যে, মেয়ের শ্বশুরবাড়ির দাবি ছিল বিলাসবহুলভাবে বিয়ে দিতে হবে। যার জেরে ২৩ নভেম্বর বিয়ের আয়োজন করতে হয়েছিল প্যালেস গ্রাউন্ডে। ওই একদিনের জন্য ৪০ লাখ টাকা খরচ হয়েছিল। এরপরও ওদের চাহিদা মেটেনি।
আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ...
iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১
কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭
২৪x৭ টোল-ফ্রি মানসিক স্বাস্থ্য পুনর্বাসন হেল্পলাইন-- কিরণ (১৮০০-৫৯৯-০০১৯)
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)