)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পরিযায়ী শ্রমিক নন, তথ্য-প্রযুক্তি কর্মী। কিন্তু স্রেফ বাঙালি হওয়ায় হোটেলে থাকার জন্য় ঘর দেওয়া হল না বাবা ও ছেলেকে! ছেলে জাতীয় স্তরে একজন জাতীয় স্তরের স্কেটার। একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বাবার সঙ্গে নয়ডায় গিয়েছে সে।
বাবার দাবি, নয়ডা দু'রাত থাকার জন্য OYO-র মাধ্যমে একটি হোটেল বুক করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বুকিং বাতিল করে দেন হোটেলের রিসেপশনিস্ট। বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত নাকি বাংলাদেশ, পঞ্জাব ও জম্মু-কাশ্মীরের আসা অতিথিদে হোটেলে ঢুকতে না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুলিস! কলকাতা নিউটাউনে কর্মরত ওই তথ্য-প্রযুক্ত কর্মী বলেন, 'আমি ওদের বললাম যে, আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে এসেছি। রিসেপশনিস্ট বলল, একই ব্য়াপার এবং ঘর দিল না'।
শেষে বাধ্য হয়ে OYO কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই ব্যক্তি। ওই হোটেলে ঘর অবশ্য পাননি। তবে OYO-র তরফে ৭ থেকে ১০ দিনের মাধ্য টাকা ফেরতের আশ্বাস দেওয়া হয়। ফলে আর কোনও উপায় ছিল না। নয়ডার সেক্টর ৪৯-র অন্য় একটি হোটেল বুক করতে হয় কলকাতার তথ্য-প্রযুক্তি কর্মীকে। যে হোটেলটি স্কেটিং প্রতিযোগিতার স্থল থেকে অনেকটাই দুরে।
এদিকে এই ঘটনার পর বিবৃতি দিতে ক্ষমা চেয়েছে OYO কর্তৃপক্ষ। মীরা ইটারনিটি নামে ওই হোটেলটিকে কালো তালিকাভুক্তও করেছে তারা। জানানো হয়েছে, ' OYO কাছে হোটেলগুলিতে এই ধরণের কোনও বিধিনিষেধ আরোপের নির্দেশিকা আসেনি বা জারিও করা হয়নি। আমরা এই ধরনের কোনও বৈষম্যকে সমর্থন করি না'।
হোটেলগুলিতে যে বাংলা বা অন্য কোনও রাজ্যের অতিথিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি নির্দেশিকা জারি করা হয়নি, তা জানিয়েছেন নয়ডার ডিসিপি যমুনা প্রসাদ। তিনি বলেন, হোটেলগুলিতে শুধুমাত্র বাংলাদেশিদের পরিচয়পত্র ও ভিসা সংক্রান্ত নথি যাচাইয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদি নথি ঠিক থাকে, তাহলে বাংলাদেশিদেরও থাকতে না দেওয়ার কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি'।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)