Operation Sindoor: তদন্তকারীদের মতে, সন্ত্রাসবাদীরা পর্যটকদের ধর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল এবং ২৫ জনকে একেবারে কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করেছিল। নিহতদের রক্ষা করার চেষ্টা করা একজন স্থানীয় গাইডও নিহত হয়েছিল।

Operation Sindoor: ২২শে এপ্রিলের পহেলগাঁও সন্ত্রাসবাদী হামলার মূলচক্রী হিসেবে চিহ্নিত শেখ সাজ্জাদ গুল, কর্ণাটক এবং কেরালায় পড়াশোনা করেছেন এবং এরপর তিনি কাশ্মীরে লস্কর-ই-তইবা (এলইটি) প্রক্সি, দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ) এর সঙ্গে জড়িত হন।
গুল, সাজ্জাদ আহমেদ শেখ নামেও পরিচিত, পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে এলআইটির (LIT)আশ্রয়ে লুকিয়ে আছেন বলে জানা গেছে, । জম্মু ও কাশ্মীরে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসবাদী কাণ্ডের সঙ্গে তার যোগসূত্র রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মধ্য ও দক্ষিণ কাশ্মীরে হত্যা, ২০২৩ সালে মধ্য কাশ্মীরে গ্রেনেড হামলা এবং বিজবেহরা, গগাঙ্গির এবং গান্দেরবালের জেড-মোর টানেলে জম্মু ও কাশ্মীরে পুলিশ কর্মীদের উপর অতর্কিত হামলা।
২০২২ সালের এপ্রিলে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) কর্তৃক সন্ত্রাসী মনোনীত গুলকে ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। পঁহেলগাও হামলার তদন্তকারীরা তার সঙ্গে যোগাযোগের সংযোগ খুঁজে পেয়েছেন। গণহত্যার দায় স্বীকারকারী টিআরএফ তার নির্দেশেই কাজ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র বলছে, গুল পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর একজন গুরুত্বপূর্ণ চড় ছিলেন। প্রধাণতঃ পঞ্জাব নেতৃত্বাধীন এলইটির কাশ্মীরি ফ্রন্ট হিসেবে কাজ করতেন। তিনি শ্রীনগরে পড়াশোনা করেছিলেন, বেঙ্গালুরুতে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন এবং পরে কেরালায় ল্যাব টেকনিশিয়ান কোর্স করেছিলেন। কাশ্মীরে ফিরে এসে তিনি একটি ডায়াগনস্টিক ল্যাব স্থাপন করেছিলেন, যা তিনি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের জন্য ব্যবহার করেছিলেন।
সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে গুলের সম্পর্ক দুই দশকেরও বেশি পুরনো। ২০০২ সালে, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল তাকে ৫ কেজি আরডিএক্স সহ নিজামুদ্দিন রেলওয়ে স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করে। রাজধানীতে পরিকল্পিত বোমা হামলার জন্য তিনি তৎপরতা চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। ২০০৩ সালে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
<iframe width="560" height="315" src="https://www.youtube.com/embed/xkBmSO_0Hkw?si=FuPXEKASDY2Fp47s" title="YouTube video player" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe>
২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়ার পর, গুল পাকিস্তানে চলে যান, যেখানে আইএসআই তাকে ২০১৯ সালে টিআরএফের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নিযুক্ত করে। এই পদক্ষেপটি ছিল জম্মু ও কাশ্মীরে একটি স্থানীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিভ্রম তৈরি করার পাকিস্তানের কৌশলের অংশ, বিশেষ করে ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার পর, যা লস্কর-ই-তৈবা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের (জেইএম) মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলিকে পাকিস্তানের সমর্থনের জন্য বিশ্বব্যাপী নিন্দার জন্ম দেয়।
গুলের পরিবারের জঙ্গি জড়িত থাকার ইতিহাস রয়েছে। তার ভাই, শ্রীনগরের শ্রী মহারাজা হরি সিং হাসপাতালের প্রাক্তন ডাক্তার, ১৯৯০-এর দশকে একজন জঙ্গি ছিলেন। সৌদি আরব এবং পরে পাকিস্তানে পালিয়ে যাওয়ার পর, তিনি এখন উপসাগরীয় অঞ্চলে পলাতকদের সাথে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের সাথে জড়িত বলে জানা গেছে।
সন্ত্রাসবাদের সাথে গুলের সম্পর্ক দুই দশকেরও বেশি পুরনো। ২০০২ সালে, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল তাকে ৫ কেজি আরডিএক্স সহ নিজামুদ্দিন রেলওয়ে স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করে। রাজধানীতে পরিকল্পিত বোমা হামলার জন্য তিনি গোয়েন্দা তৎপরতা চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। ২০০৩ সালে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)