Nagpur: ১৫ বছর ধরে ৫০-এর বেশি মেয়ের শরীরে লালসার আঁচড়! বর্বর মনোবিদকে...

Nagpur: ১৫ বছর ধরে  ৫০-এর বেশি শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতন। অভিযুক্ত এক মনোবিদ। নারকীয় এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Updated By: Jan 14, 2025, 07:58 PM IST
Nagpur: ১৫ বছর ধরে ৫০-এর বেশি মেয়ের শরীরে লালসার আঁচড়! বর্বর মনোবিদকে...

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ১৫ বছর ধরে বর্বর মনোবিদকে লালসার শিকার ৫০-এর বেশি শিক্ষার্থী। জানা গিয়েছে, তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ব্ল্যাকমেল এবং যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। ইতোমধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

Add Zee News as a Preferred Source

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মনোবিদ পূর্ব নাগপুরে একটি ক্লিনিক এবং বাড়িতেও চিকিত্‍সা করাত। তার বিরুদ্ধে পকসো আইন এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের উপর অত্যাচারের আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযুক্ত মনোবিদ বিশেষ করে মেয়েদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোগ করত। এমনকী সে ক্যাম্প আয়োজন করত, যেখানে মেয়েদের উপর যৌন নির্যাতন করত। শুধু তাই নয়, সে মেয়েদের অশ্লীল ছবি তুলে রাখত, পরে সেগুলি দিয়ে তাদের ব্ল্যাকমেল করত। এই নারকীয় অত্যাচার সামনে আসে, যখন ওই মনোবিদের এক প্রাক্তন ছাত্রী পুলিসের দ্বারস্থ হয়। যখন অভিযুক্ত তাঁকে ব্ল্যাকমেল করা শুরু করে।

এক সর্বভারতীয় সংবাদ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মনোবিদ বর্তমানে নাগপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দী। সূত্রের খবর, ক্যাম্পে মেয়েদের যৌন নির্যাতন করার আগে সে নেশায় বুঁদ থাকত। এমনকী অভিযুক্ত মেয়েদের কিছু ওষুধ দিয়ে নেশাগ্রস্ত করে রাখত বলে, অভিযোগ। অভিযুক্তচন্দ্রপুর, ভান্ডারা এবং গোন্দিয়া সহ বিদর্ভের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্যাম্প করেছিলেন।

আরও পড়ুন:Laurene Powell: এর আগে কোনওদিন এত ভিড়ে থাকেননি! মহাকুম্ভে অসুস্থ জোবসের 'কোমল' স্ত্রী...

অভিযুক্ত সাধারণত পড়ুয়াদের বাবা-মায়েদের ব্রেন ওয়াশ করত, এই বলে যে তাদের ছেলেমেয়েদের সে ব্যক্তিগত বিকাশ, পড়াশোনার চাপ এবং পেশাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য দক্ষ করে তুলবে। এইসব বলে বুঝিয়ে অভিভাবকদের সে রাজি করিয়ে ছাড়ত। বিশেষ করে, অভিযুক্ত মেয়েদের অভিভাবকদের তার বাড়িতে ক্লাস করার জন্য পাঠাতে বলত। এবং সে অভিভাবকদের তাদের ছেলেমেয়েদের 'লোকাল অভিভাবক' বলে আশ্বাস দিয়ে রাখত। 

অভিযুক্তের স্ত্রীও তার ছাত্রী ছিল। অন্য একজন মহিলা বন্ধুর বিরুদ্ধেও তার ইনস্টিটিউটে মেয়েদের ভর্তিতে সহায়তা করার জন্য মামলা করা হয়েছে এবং তারা পলাতক রয়েছে। অভিযুক্তের বেশিরভাগ ভুক্তভোগী মহিলারাই বিবাহিত। সেই কারণেই তারা পুলিসের দ্বারস্থ হতে দ্বিধা বোধ করেছে, বলে জানা গিয়েছে। পুলিস ভুক্তভোগীদের সহায়তা এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে।

 

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)

.