Software engineer Death: রাগের মাথায় স্ত্রীকে সপাটে চড়! খুন করেছেন ভেবে ভয়ে নিজেই জীবন থেকে সরলেন IT কর্মী...

Hyderabad crime news: সোনার ব্রেসলেট হারিয়ে যাওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ লাগে। ঝগড়া চরমে উঠলে রেগে গিয়ে স্বামী স্ত্রীকে সপাটে থাপ্পড় মারে। যার ফলে স্ত্রী অজ্ঞান হয়ে যান। স্ত্রী মারা গিয়েছে ভেবে, ভয়ে স্বামী আত্মঘাতী হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  

সৌমিতা খাঁ | Updated By: Jun 17, 2025, 05:00 PM IST
Software engineer Death: রাগের মাথায় স্ত্রীকে সপাটে চড়! খুন করেছেন ভেবে ভয়ে নিজেই জীবন থেকে সরলেন IT কর্মী...
প্রতীকী ছবি

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: স্ত্রীর উপর চড়াও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার স্বামী। অশান্তি চরমে উঠলে স্ত্রীকে মারধর করেন তিনি। এমন থাপ্পর মারে যে স্বামী ভাবেন যে তাঁর স্ত্রী হয়তো মারা গিয়েছেন। সেই ভয়ে নিজেই আত্মহত্যা করে ফেলেন স্বামী।

Add Zee News as a Preferred Source

অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা কুমারস্বামী এবং মৌনিকা। দম্পতি এক বছর ধরে বিবাহিত। বিয়ের পর থেকে তারা বান্দলাগুড়া জাগিরের ভবানী কলোনিতে থাকেন। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনার ব্রেসলেট হারিয়ে যাওয়া নিয়ে দম্পতির মধ্যে ঝগড়া হয়।

কুমারস্বামী রেগে গিয়ে মৌনিকাকে সজোরে চড় মারেন। যার ফলে মৌনিকা অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পুলিস আরও জানিয়েছেন, কুমারস্বামী ভাবেন যে তার আঘাতে স্ত্রী মারা গিয়েছেন। ফলে তিনি প্রচণ্ড ভয় পেয়ে যান। ঘরে গিয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

আরও পড়ুন:India's Most Powerful Missile: ভয়ে কাঁপবে শয়তান পাকিস্তান, শক্তিধর চিন! শত্রুপক্ষের ঘরে ঢুকে নিঃশব্দে তছনছ করবে ভারতের এই মিসাইল...

প্রতিবেশীরা খবর পেয়ে রাজেন্দ্রনগর থানায় খবর দেয়। পুলিস ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠায়।

উল্লেখ্য, অন্য যুবকের সঙ্গে মেলামেশা, স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন, চুঁচুড়ায় আত্মঘাতী অস্থায়ী হোমগার্ড। চন্দননগর কমিশনারেটের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত মহিলা ট্রাফিক কর্মী ছিলেন দেবপ্রিয়া শেঠ (৩৪)। রবিবার রাতে বাপের বাড়িতেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হন বলে জানা গিয়েছে।

দেবপ্রিয়ার মা মঞ্জুলা ভট্টাচার্য জানান, 'মেয়ে অভিষেক নামে এক যুবকের সঙ্গে মেলামেশা করত। সেসব কথা জামাইকে বলে দিত নাতনি। নাতনি আমার মেয়ের থেকে ওর বাবাকে বেশি ভালোবাসত। তা নিয়ে মেয়ের অভিমান ছিল। গত সাত মাস ধরে মেয়ের সঙ্গে জামাইয়ের অশান্তি চলছিল। জামাই আমাদের বাড়িতে আসত না। যে যুবকের সঙ্গে মিশত তার বাড়িতে গিয়ে অশান্তি করে আসে কয়েকদিন আগে। মেয়ের ডায়রিতে সুইসাইড নোট লিখে গিয়েছে, মৃত্যুর জন্য জামাই আর ওর মেয়েকে দায়ী করে গিয়েছে। অভিষেক দায়ী নয়। আমরা কোনও পুলিস কেস করব না। নাতনিটাকে ওর বাবা দেখবে বলেছে। আমরা আর কদিন আছি।'

আরও পড়ুন:Newborn Death: কেঁদেও মেলেনি অ্যাম্বুল্যান্স, সদ্যোজাতের দেহ থলিতে মুড়ে ভিড় বাসে ৯০ কিমি শেষযাত্রায় হতভাগ্য বাবা!

আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ... 
iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১
কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭

 

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল

About the Author

Soumita Khan

আশুতোষ কলেজ থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়-- সাংবাদিকতা নিয়েই পড়াশোনা। আন্তর্জাল সাংবাদিকতায় পেশাগত হাতেখড়ি। লেখেন সব বিষয়েই, তবে ক্রাইমের খবরের আনাচকানাচে ঘোরাঘুরিতে বেশি আগ্রহ। অনুক্ষণ শিক্ষানবিশ...

...Read More

.