)
রাজীব চক্রবর্তী: সুপ্রিম কোর্টে হাইভোল্টেজ আইপ্যাক মামলা। এদিন শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও সুপ্রিম কোর্ট হয়নি হাইভোল্টেজ আইপ্যাক মামলার শুনানি। পরবর্তী শুনানি হবে ২২ মে। আজ শুনানি স্থগিত করার আবেদন জানান সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা। যাতে সম্মত হন কপিল সিব্বল, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মানেকা গুরুস্বামীরা। এরপরই স্থগিত হয়ে যায় শুনানি।
মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্তে বাধা দিয়েছেন। শুধু তাই নয় তদন্তের ফাইল আধিকারিকদের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছে তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে এতদিন সওয়াল করে এসেছে রাজ্য সরকার। দুঁদে খাওয়া আইনজীবীরা রাজ্য সরকার এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সওয়াল করে গিয়েছেন এই মামলা আদৌ গ্রহণযোগ্য নয় বলে।
কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার বদল হওয়ার পর মামলার গতিপথ কোন দিকে এগোয় সেটাই এখন দেখার। এর আগেই সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, একজন মুখ্যমন্ত্রী যদি তদন্ত স্থলে উঠে যান এবং তদন্তে হস্তক্ষেপ করেন তবে তা গণতন্ত্রের জন্য মোটেই সুখকর নয়। এবার দেখার মামলার জল কোন দিকে গড়ায়। আজ শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, তা স্থগিত হয়ে যায়। পরবর্তী শুনানি ২২ মে নজর এবার।
প্রসঙ্গত, এসআইআর বিতর্কে সুপ্রিম কোর্টে যখন এই মামলা রুজু হয়েছিল, তখন তিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের ‘মুখমন্ত্রী’। তারপরের সময়ে অনেক জল গড়িয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে পট পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। ২০১১-র পর ২০২৬, ১৫ বছর রাজ্যে আবার পালাবদল ঘটেছে। রাজ্যে ক্ষমতায় এখন বিজেপি সরকার।
বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আর তিনি এখন শুধুই ‘প্রাক্তন’, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। হাইভোল্টেজ আইপ্যাক মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে নাম প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাই এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট কী রায় দেয়, সেই দিকে তাকিয়ে সারা দেশ।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)