Survivor Vishwas kumar Ramesh: শুক্রবার সকাল সকাল তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই আতঙ্কের সেই মুহূর্তের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বিশ্বাসকুমার। জানান, উড়ানের ঠিক ৩০ সেকেন্ড পরই সব শেষ!

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অভিশপ্ত বিমানের (Ahmedabad Plane Crash) একমাত্র জীবিত ব্যক্তি বছর ৪০-এর বিশ্বাসকুমার রমেশ (Mr. Vishwash Kumar Ramesh)। অহমদাবাদ সিভিল হাসপাতালে এই মূহুর্তে সে চিকিত্সাধীন। ২৪২ জন সওয়ারির মধ্যে একমাত্র তিনিই প্রাণে বেঁচেছেন, কথায় আছে, রাখে হরি মারে কে! ঠিক এই প্রবাদ বাক্যই যেন সত্যি হয়েছে রমেশের জন্য। কীভাবে বাঁচলেন তিনি? হেঁটে অ্যাম্বুল্যান্সে উঠেছেন, জানিয়েছেন ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা।
ব্রিটিশ নাগরিক রমেশ বিমানের বাম দিকে জরুরি দরজার পাশে ১১এ আসনে বসেছিলেন। তিনি জানান, উড়ানের কিছুক্ষণ পরেই বিমানটি ভেঙে যায় এবং তার আসনটি ছিটকে বেরিয়ে আসে। রমেশ বলেন, ‘না, আমি ঝাঁপ মারিনি। বিমান ওড়ার মাত্র ৩০ সেকেন্ড পর একটা প্রচণ্ড শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম। তার পরেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। সব কিছু খুব দ্রুত ঘটে গিয়েছিল।'
হাড়হিম সেই ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বিশ্বাসকুমার জানান, 'যখন আমি উঠে দাঁড়ালাম, তখন আমার চারপাশে শুধু লাশ আর লাশ। খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। উঠে দাঁড়িয়ে দৌড়তে শুরু করলাম। চারপাশে বিমানের টুকরো। তখনই কেউ একজন আমাকে ধরে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে হাসপাতালে নিয়ে আসে।' হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বুকে চোট পেয়েছেন বিশ্বাসকুমার। তবে এর মধ্যেও ধ্বংসস্তূপ থেকে নিজের ভাইকে খুঁজে বের করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০ বছর ধরে লন্ডনে থাকেন রমেশ। তাঁর স্ত্রী এবং সন্তানও সেখানেই থাকেন। পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কয়েক দিনের জন্য ভারতে এসেছিলেন। এই অভিশপ্ত ফ্লাইটে তাঁর ভাই অজয়কুমার রমেশের সঙ্গে ব্রিটেনে ফিরে যাচ্ছিলেন। এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ২৩০ জন যাত্রীর মধ্যে ১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, সাতজন পর্তুগিজ এবং একজন কানাডিয়ান নাগরিক।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)