Delhi Red Fort Blast: গাড়ির জানলায় হাত দিয়ে বসে হামলাকারী! দিল্লি বিস্ফোরণে 'ফিদায়েঁ' ডা. উমর মহম্মদের প্রথম ছবি প্রকাশ্যে...

Delhi Blast: লাল কেল্লায় বিস্ফোরণে মৃত ৯। কে এই সুইসাইড বোম্বার। কী তার যোগ? সূত্রের খবর, পার্কিং-এ গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় সন্দেহভাজন হামলাকারী গাড়ি থেকে একটিও সময় বের হয়নি।

| Nov 11, 2025, 01:34 PM IST
1/11

লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দিল্লির বিস্ফোরণ মামলার সুইসাইড বোম্বার ডঃ উমর মহম্মদের প্রথম ছবি প্রকাশ্যে। সোমবার সন্ধ্যেবেলা লাল কেল্লার কাছে বিস্ফোরিত হওয়া সাদা হুন্ডাই i20 গাড়িটি ছিল উমরের।

2/11

লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ

বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৯ জন সাধারণ নাগরিক মারা গিয়েছে। এবং ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। 

3/11

কে এই উমর?

উমর ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জন্মগ্রহণ করে। সে আল ফালাহ মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতেন। সে ডঃ আদিল আহমদ রদর ও ডঃ মুজাম্মিল শাকিলের কাছের সহযোগী ছিল। সোমবার এই দুই ডাক্তারকে 'হোয়াইট কলার' সন্ত্রাসী চক্রের জন্য গ্রেফতার করা হয়।

4/11

কে এই উমর?

উমর ফরিদাবাদ থেকে পালিয়ে যায়, যখন সে জানতে পারে যে পুলিসের হাতে দুই প্রধান সদস্য ধরা পড়েছে এবং ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক জব্দ হয়েছে। পরে সে আতঙ্কিত হয়ে গাড়ি বিস্ফোরণ ঘটায় বলে প্রাথমিক ধারণা।

5/11

লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ

সূত্রের খবর, উমর ও তার সহযোগীরা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ফুয়েল অয়েল (ANFO) ব্যবহার করে হামলা চালায়। তারা গাড়িতে ডিটোনেটর বসিয়ে লাল কেল্লার কাছে জনসমাগম এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটায়।  

6/11

লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ

বিস্ফোরণ ঘটেছে ৬:৫২ মিনিটে, লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসে। 

7/11

লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ

সূত্রের খবর, এই গাড়িটি (নম্বর প্লেট HR 26CE7674) লাল কেল্লার পার্কিং-এ প্রায় তিন ঘণ্টা ছিল, দুপুর ৩:১৯ মিনিটে প্রবেশ করে সন্ধ্যে ৬:৩০ নাগাদ বের হয়। দিল্লি গেটের দিকে লাল কেল্লার একেবারে অন্যপ্রান্তে সুনহরি মসজিদের এই পার্কিং থেকে সোমবার সন্ধ্যে সাড়ে ছটা নাগাদ গাড়িটি বের হয়ে লালকেল্লার প্রধান ফটকের দিকে যায়। সেখানে ইউটার্ন নেওয়ার পর ঘটে বিস্ফোরণ। 

8/11

লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ

প্রায় এক মিনিটের ভিডিয়োতে দেখা যায় গাড়িটি বাদারপুর সীমান্তে প্রবেশ করছে। এক ছবিতে সন্দেহভাজন আত্মঘাতী হামলাকারীর হাত জানালায় দেখা গিয়েছে। অন্য ছবিতে গাড়ির চালককে নীল ও কালো টি-শার্টে দেখা যায়।

9/11

লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ

তৃতীয় ছবিতে গাড়িটি রাজধানীর ব্যস্ত রাস্তায় দেখা যায়। সূত্রের খবর, পার্কিং-এ গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় সন্দেহভাজন হামলাকারী গাড়ি থেকে একটিও সময় বের হয়নি। হয়তো সে কারোর জন্য অপেক্ষা করছিল বা নির্দেশনার অপেক্ষায় ছিল।

10/11

লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত গাড়িটি একাধিকবার বিক্রি হয়েছে। সূত্র বলছে, মার্চ ২০২৫-এ সলমান গাড়িটি দেবেন্দরকে বিক্রি করে। পরে ২৯ অক্টোবর এটি দেবেন্দরের থেকে আমিরের কাছে চলে যায় এবং এরপর তারিক ও উমরের হাতে যায়।

11/11

লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ

আমির ও তারিককে দিল্লি পুলিসের দল জিজ্ঞাসাবাদ করছে। আমির উমর মোহাম্মদের ভাই। এক ছবিতে দেখা গিয়েছে, আমির গাড়ির চাবি ধরে আছেন, সম্ভবত দেবেন্দর থেকে গাড়িটি কেনার পরের ছবি।