বর্ষাকালে এই ৫ সবজি খেলে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বর্ষাকালের নোংরা জল সংক্রামিত করতে পারে এই সবজি গুলোকে। ফলে এড়িয়ে চলা ভালো এইসব সবজি।
1/6বর্ষাকালে সর্দি, কাশি লেগেই থাকে। সঙ্গে লেগে থাকে সংক্রামণ এবং পেট খারাপের ভয়। একটু অনিয়ম হলেই নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনিতেই বর্ষাকালে রাস্তার ধারে খাবার খেলে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই মরশুমে অনেক সবজিও আছে যা,নোংরা জলের সংস্পর্শে আসতে পারে। এমন অনেক সবজি আছে যা মাটিতে এবং মাটি ঘেঁষে জন্মায়। ফলে সেই সব সবজি বর্ষার নোংরা জলের কাছাকাছি আসতে পারে। যেসব সবজির সাধারণত অনেক গুণ, তা বর্ষাকালে আর্দ্রতার কারণে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কয়েকটি সবজি বর্ষা কালে এড়িয়ে চলবেন তা হল-
2/6বর্ষাকালে শাকপাতায় সহজেই সংক্রামণের পরিমাণ বেরে যায়। ফলে পেটের সমস্যা ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে পালং শাক, লেটুস, মেথি শাক, পুঁই শাকের মতো পাতা এড়িয়ে চলুন। এমনকি পরিস্কার করার পরেও সম্পূ্র্ণভাবে জীবাণুমুক্ত হয়না। ফলে খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিন। এই সময় শাকপাতা কাঁচা না খাওয়াই ভালো।
3/6ফুলকপি শীতকাল জাতীয় সবজি হলেও, এখন বাজারে সবসময় দখা যায়। এই কপিজাতীয় সবজিতে বর্ষাকালে পোকা, জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে। আর্দ্র আবহাওয়ার জন্য় এইসব সবজিতে ছত্রাকের সংক্রামণ হতে পারে। ভালো করে না ধুয়ে অথবা সেদ্ধ না করলে পেটের সমস্য়া দেখা দেবে। এমনকি পেটে ইনফেকশনও হতে পারে।
4/6এই মরশুমে সাধারণত বেগুনে ছত্রাক এবং পোকার সংক্রমণ বাড়তে পারে। বেগুনের স্পন্জি গঠন আর্দ্রতাকে শোষণ করে। ফলে বর্ষাকালে এই সবজি তাড়াতাড়ি পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অ্যালার্জিও হতে পারে বেগুন খেলে। তাজা বেগুন না পেলে, এই সবজি বর্ষাকালে না খাওয়াই ভালো।
5/6মাশরুম বর্ষাকালে না খাওয়াই ভালো। বর্ষায় এই সবজিতে জীবাণুর সংক্রামণ বেড়ে যায়। এছাড়া ব্যাক্টেরিয়ার প্রভাব বাড়তে পারে, যা ফুড পয়জ়নিং কারণ হতে পারে।
6/6ক্যাপসিকামে জল শোষণের ক্ষমতা বেশি। ফলে বর্ষাকালে এই সবজি না খাওয়াই ভালো। ভালো করে না ধুয়ে বা সেদ্ধ না করে খেলে পেটের সমস্যা দেখা দেবে।