1/8প্রতি ১০ বছরে একটি করে পে কমিশন। এখন সরকারি কর্মচারীরা সপ্তম পে কমিশন মোতাবেক বেতন পান। ২০১৪ সালে ইউপিএ সরকারের আমলে এটা তৈরি হয়েছিল। তবে, ২০১৬ সালে এটা পেশ করেছিল এনডিএ।
2/8এর ফলে প্রায় ৪৯ লক্ষ সরকারি কর্মচারী এবং প্রায় ৬৮ লক্ষ পেনসনার উপকৃত হবেন। এঁদের বেসিক পে বিপুল ভাবে 'রিভাইজড' হবে। বদলাবে অ্যালোয়েন্সও।
3/8কবে থেকে লাগু হবে এই নিয়ম? ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। কিন্তু এখানেই উঠছে প্রশ্ন। কীসের প্রশ্ন?
4/8এখন সহসাই সমস্ত সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটা বড় প্রশ্ন: অষ্টম পে কমিশনের সুবিধা পেতে অপেক্ষা করতে হবে ২০২৮ সাল পর্যন্ত?
5/8কিন্তু কেন এই ২০২৮ সালের প্রসঙ্গ উঠছে? ওঠার যুক্তিও আছে। আগের অভিজ্ঞতা বলছে, একটি পে প্যানেল চালু হতে সাধারণত দু থেকে তিন বছর সময় নিয়ে নেয়। যদি এটাই ঘটে, তবে এবারও ২০২৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া গত্যন্তর থাকবে না!
6/8যেমন ষষ্ঠ বেতন কমিশন। ২০০৬ সালে গড়া হয়েছিল প্যানেল। কমিশন সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছিল ২০০৮ সালে। বিষয়টি লাগু হতে-হতে ২০০৮ সালের অগস্ট। মানে, প্রায় ২২ থেকে ২৪ মাস।
7/8সপ্তম বেতম কমিশন গড়া হয়েছিল ২০১৪-র ফেব্রুয়ারিতে। এটা চূড়ান্ত হয়েছিল মার্চেই। তারপর কমিশন রিপোর্ট জমা দেয় ২০১৫ সালের নভেম্বরে। সরকার বিষয়টিতে সিলমোহর দেয় ২০১৬ সালের জুনে। মানে, ফর্মেশন থেকে ইমপ্লিমেনটেশনে প্রায় ৩৩ মাস (২ বছর ৯ মাস) সময় লাগল। মানে, দেখা যাচ্ছে, গত দুটি পে কমিশনই লাগু হতে-হতে গড়ে প্রায় ২-৩ বছর সময় নিয়ে নিয়েছে।
8/8আর অষ্টম পে কমিশন? ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি এ বিষয়ে প্রথম ঘোষণা। অষ্টম বেতম কমিশনের টার্ম অফ রেফারেন্স (Terms of Reference) বা টিওআর (ToR) এখনও নির্দিষ্ট নয়। ফলে, বলাই যায়, অষ্টম পে কমিশন কিন্তু এখনও সেভাবে গতি পায়নি। পেতে-পেতে হয়তো ২০২৭ সাল গড়াতে পারে। তারপর সরকার কিছু সময় নেবে। সংস্কার প্রস্তাব দেবে বা অনুমোদন করবে। তারপর হয়তো এটা কার্যকর হতে-হতে ২০২৮ সাল! এটাই বাস্তবে ঘটবে বলে অনেকে মনে করছেন।