কাটোয়া মহকুমার মঙ্গলকোট ব্লকের মল্লিকপুর গ্রামের বাসিন্দা বিক্রম মাঝি। সাত বছর আগে হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়েন মুনমুন। হার্টের সমস্যা ধরা পড়ে। দুটি ভাল্ব প্রতিস্থাপন করার পর এখন তিনি সুস্থ।
1/8সন্দীপ ঘোষ চৌধুরী: অমরপ্রেম! তবে সিনেমা নয়, ঘোরতর বাস্তব। মহাদেবের আর্শীবাদে স্ত্রী এখন সুস্থ। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থেকে দণ্ডি কেটে এবার কেদারনাথের উদ্দেশে রওনা দিলেন মঙ্গলকোটের বিক্রম মাঝি। সময় লাগবে ২ বছর!
2/8কাটোয়া মহকুমার মঙ্গলকোট ব্লকের মল্লিকপুর গ্রামের বাসিন্দা বিক্রম। পেশায় তিনি নির্মাণকর্মী।
3/8বছর দশেক আগে বর্ধমানেরই দেওয়ানদিঘির তরুণী মুনমুনকে বিয়ে করেন বিক্রম। কিন্তু সাত বছর আগে হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়েন মুনমুন। হার্টের সমস্যা ধরা পড়ে।
4/8বেঙ্গালুরুর এক হাসপাতালে স্ত্রীর চিকিত্সা করায় বিক্রম। দুটি ভাল্ব প্রতিস্থাপন করতে হয়। এখন তিনি সুস্থ।
5/8এদিকে স্ত্রীর আরোগ্য কামনা করে কেদারনাথে মহাদেবের কাছে মানত করেছিলেন বিক্রম। ঠিক করেছিলেন, স্ত্রী সুস্থ হয়ে উঠলে দণ্ডি কেটে কেদারনাথে যাবেন।
6/8আজ, শুক্রবার কাটোয়া ভাগীরথী নদীতে স্নান করে যাত্রা শুরু করলেন বিক্রম। প্রতিদিন দণ্ডি কেটে নির্দিষ্ট দূরত্বে পেরিয়ে এগিয়ে যাবেন কেদারনাথের পথে।
7/8দীর্ঘ যাত্রাপথ। সময় লাগবে ২ বছর। পার করতে হবে প্রচণ্ড গ্রীষ্ম, বর্ষার দুর্ভোগ, হাড়কাঁপানো শীত, আবার পাহাড়ি বাতাসে শুষ্ক শীতলতা।
8/8স্থানীয়রা বলছেন, 'আজকের দিনে এমন মানত কেউ রাখে না। ওর জেদ, বিশ্বাস আর ভালোবাসা দেখে আমরা গর্বিত'। তাঁদের একটাই প্রার্থনা, ভোলেনাথের মন্দিরে জল ঢেলে পুজো দিয়ে আবার নিজের মাটি মঙ্গলকোটে ফিরে আসে বিক্রম।