Aadhaar card gets an upgrade: আধার কার্ডে এসেছে বড় বদল। বদলাচ্ছে আধার কার্ডের আকার। শুরুতে এটি একটি কাগজের চিঠির আকারে ছিল। বর্তমানে এটি একাধিক ফরম্যাটে পাওয়া যায়: কাগজের আধার, ই-আধার, এবার পাওয়া যাবে পিভিসি আধার কার্ড।
1/6জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আধার কার্ড, যা ভারতের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পরিচয়পত্র, নাগরিকদের প্রয়োজন অনুসারে ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে সেই কার্ড। শুরুতে এটি একটি কাগজের চিঠির আকারে ছিল। বর্তমানে এটি একাধিক ফরম্যাটে পাওয়া যায়: কাগজের আধার, ই-আধার, এবার পাওয়া যাবে পিভিসি আধার কার্ড।
2/6পিভিসি আধার হলো একটি ওয়ালেট-আকারের প্লাস্টিকের কার্ড, যা ইউআইডিএআই (UIDAI) দ্বারা চালু করা হবে। এটি এটিএম বা ক্রেডিট কার্ডের মতোই টেকসই, সুরক্ষিত এবং ব্যবহার করা সহজ। দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য এটি সুবিধাজনক।
3/6পিভিসি আধারে আধুনিক সুরক্ষার ব্যবস্থা আছে, যার মধ্যে রয়েছে- হোলোগ্রাম, গিলচ প্যাটার্ন, গোস্ট ইমেজ এবং মাইক্রোটেক্সট, ছবি এবং জনসংখ্যাগত তথ্যসহ সুরক্ষিত কিউআর কোড, উচ্চ মানের প্রিন্টিং এবং ল্যামিনেশন। এই বৈশিষ্ট্যগুলো থাকায় কার্ডটি জাল করা কঠিন এবং দ্রুত অফলাইন যাচাই করা সম্ভব।
4/6কাগজের আধার: এটি তালিকাভুক্তি বা আপডেটের সময় বিনামূল্যে পাওয়া যায়। তবে এটি কম টেকসই এবং বহন করা সুবিধাজনক নয়।
ই-আধার: এটি একটি বিনামূল্যের ডিজিটাল সংস্করণ, যা যেকোনো সময় ডাউনলোড করা যায়। এটি একটি কিউআর কোড এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর দিয়ে সুরক্ষিত। তবে এটি ব্যবহার করার জন্য ইন্টারনেট বা ফোনের প্রয়োজন হয়।
পিভিসি আধার: এটি সবচেয়ে টেকসই, বহনযোগ্য এবং সুরক্ষিত। তবে এর জন্য ৫০ টাকা খরচ হয় (প্রিন্টিং, জিএসটি এবং স্পিড পোস্ট ডেলিভারিসহ)।
5/6ভারতীয় নাগরিকরা UIDAI-এর ওয়েবসাইট থেকে ৫০ টাকা দিয়ে এটি অনলাইনে অর্ডার করতে পারেন। অর্ডার করার পর, কার্ডটি প্রিন্ট করে স্পিড পোস্টের মাধ্যমে ঠিকানায় পাঠানো হবে। এতে থাকা QR কোড স্ক্যান করে দ্রুত অফলাইনে যাচাই করা যায়।
6/6সুবিধাজনক পরিচয়পত্রের চাহিদার বাড়ছে, পিভিসি আধার কার্ড টেকসই-মজবুত, ব্যবহারে সহজ, নিরাপত্তা এবং স্থায়িত্বও বেশি দিন, সবমিলিয়ে এটি দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ফরম্যাট বলেই মনে করা হচ্ছে।