1/7যেটা নতুন জানা গেল, যেটাতে সকলে আন্টার্কটিকা নিয়ে স্রেফ চমকে উঠছে, সেটা হল, ৩৪০০০ বছরের পুরনো বরফস্তরের নীচে মিলেছে ২৮২৯টি প্রজাতির প্রাণী!
2/7সূর্যের আলো পৌঁছয় না, পুষ্টির উৎস নেই বা খুবই কম এবং তাপমাত্রা অতি কম! ওইরকম চরম আবহাওয়ার জায়গায় এত সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের সন্ধান পেয়ে রীতিমতো বিস্মিত বিজ্ঞানীকুল।
3/7এমনিতেই আন্টার্কটিকার মাটি খুব অবহেলিত। 'গ্রেটলি আন্ডারএস্টিমেটেড'। গবেষকদের একজন ড. ডিরক ওয়াগনর এখানকার অনুজীবদের বিষয়টি নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত।
4/7কেন বিজ্ঞানীরা আন্টার্কটিকা নিয়ে এত উচ্ছ্বসিত? কারণ, এইরকম অনুজীব বা অন্য প্রজাতির প্রাণীর উপস্থিতির ক্ষেত্রে প্রকৃতির সঙ্গে কার্বনের রসায়নের বা কার্বনচক্রের একটা প্রমাণ মেলে।
5/7এটা স্থানীয় ইকোলজিকে সমৃদ্ধ করে। শুধু তাই নয়, ক্লাইমেট চেঞ্জ যে-যে প্রতিবন্ধকতা হাজির করে, সেটারও মোকাবিলা করার একটা পথ পাওয়া যায়।
6/7আন্টার্কটিকার বন্যজীবন বৈচিত্র্যময় এবং অনন্য। এটি পৃথিবীর একমাত্র মহাদেশ যেখানে কোনও স্থলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী নেই। তবে এটি বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক বন্যপ্রাণী এবং পাখির আবাসস্থল। পেঙ্গুইনের ১৮টি ভিন্ন প্রজাতিও এখানে মেলে।
7/7আন্টার্কটিকার গভীর সমুদ্রের তলদেশে বিভিন্ন ধরনের অদ্ভুত এবং অজানা প্রাণী পাওয়া গিয়েছে। যেমন, সমুদ্রের শূকর, সমুদ্র মাকড়সা। একটি বিচিত্র প্রজাপতি-সহ আরও বেশ কিছু নতুন প্রজাতি আবিষ্কৃত হয়েছে। অ্যান্টার্কটিকার এই সব আবিষ্কার প্রমাণ করে, বরফের নীচেও একটি সমৃদ্ধ জীবন থাকতে পারে।