Awami League: আওয়ামী লীগ ২০০১ সালের ভোটে সবচেয়ে খারাপ পারফরমেন্স করেছিল। সেবার বিএনপি জিতেছিল ১৯৩ আসনে। কিন্তু আওয়ামী লীগের থেকে কয়েক মিলিয়ম ভোট বেশি পেয়েছিল
1/6শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে উত্খাতের পর তার দলকে নিষিদ্ধ করেছে মহম্মদ ইউনূস সরকার। অর্থাত্ বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন হলেও সেখানে লড়াই করতে পারবে না আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে শখানেক মামলা, একের পর এক আওয়ামী লিগ নেতা-সমর্থককে জেলে পোরা হয়েছে। ফলে বিপুল চাপে লীগ সমর্থকরা। অর্থাত্ আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে, রাজনীতির ময়দান ছাড়ছেন নৌকো সমর্থকরা। কিন্তু মাঠ ময়দানের খবর বলছে অন্য কথা।
2/6পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০০১ সালের ভোটে সবচেয়ে খারাপ পারফরমেন্স করেছিল। সেবার তারা ৩০০ আসনের মধ্যে দখল করতে পেরেছিল মাত্র ৬২টি আসন। সেবার তারা ভোট পেয়েছিল ২২ মিলিয়ন ভোট। সেবার বিএনপি জিতেছিল ১৯৩ আসনে। কিন্তু আওয়ামী লীগের থেকে কয়েক মিলিয়ম ভোট বেশি পেয়েছিল। অর্থাত্ মোট ভোটের পার্থক্য খুব কম।
3/6বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মাসুদ কামাল এক জার্মান সংবাদমাধ্যমে(Deutsche Welle) লিখেছেন আওয়ামী লীদের আশার কথা। কামাল লিখেছেন, আওয়ামী লীগের এমন একটি সমর্থক বেশ রয়েছে যারা আদর্শগতভাবে লীগের কট্টর সমর্থক, নেতা যে-ই হোক না কেন।
4/6কামাল আরও বলেন, কোনও একটি রাজনৈতিক দলকে শুধুমাত্র অর্ডার দিয়ে নিষিদ্ধ করে দেওয়া খুব একটা ভালো নিদর্শন নয়। নতুন সরকাররে একটা ইউনিট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সরকার এখন বিভাজনের কাজ করছে।
5/6ওই প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়েছে দুনিয়ার অন্তত ৬ মানবাধিকার সংগঠন মহম্মদ ইউনূসের কাছে চিঠি লিখে অনুরোধ করেছেন যেন আওয়ামী লীগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। না করলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্বচ্ছতার উপরে প্রশ্ন উঠবে।
6/6বাংলাদেশে অন্য অধিকাংশ দল নিষিদ্ধ হওয়ার আতঙ্কে ভুগছে। ওই রিপোর্টে বলা হচ্ছে, জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করা হয়নি কিন্তু সরকারের সংস্কারের কাজে তাদের বাইরে রাখা হয়েছে। দলের সেক্রেটারি সামিম হায়দায় পাটোয়ারি বলেছেন, দেশের গণতন্ত্রের জন্য এই মাইন্ডসেট অত্যন্ত বিপজ্জনক। জাতীয় পার্টিকে সব আলোচনা থেকে বাইরে রাখা মানে কারও অধিকার খর্ব করা। আমাদের দলের অধিকার কাউকে রক্ষা করতে হবে না। এই ভোটে প্রচুর রিগিং হতে চলেছে। জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ দল হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। এটা ভালো লক্ষণ নয়।