1/6প্রদ্যুত দাস: এই সম্মেলনেই বাংলাদেশকে ভেঙে যশোহর, খুলনা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া বরিশাল ও পটুয়াখালী-- এই ছয় জেলা নিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের জন্য আলাদা 'বঙ্গভূমি' রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানান।
2/6বঙ্গ সেনার মুখপাত্র বিমল মাঝি বলেন, 'বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নির্যাতন পাকাপাকি ভাবে বন্ধ করতে হলে সংখ্যালঘু হিন্দুদের জন্য ছয়টি জেলা নিয়ে আলাদা বঙ্গভূমি রাষ্ট্র গঠন করতে হবে।'
3/6বঙ্গ সেনার মুখপাত্র বিমল মাঝি আরও জানান, যেভাবে ব্রিটিশের থেকে ভারত স্বাধীন হয়েছে, পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ হয়েছে, সেভাবেই এখনকার বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের জন্য স্বাধীন বঙ্গভূমি রাষ্ট্র হবে। তিনি বাংলাদেশে কারাগারে বন্দি চিন্ময়কৃষ্ণ মহারাজের মুক্তির দাবিও জানান। চিন্ময়কৃষ্ণের মুক্তি না হলে আন্দোলনের হুমকিও দেন।
4/6বঙ্গ সেনার মুখপাত্র বিমল মাঝি যোগ করেন, '১৯৭১ সালে বাংলাদেশ গঠনের সময় সেখানে হিন্দুর সংখ্যা ছিল ২৮%! আর এখন সেখানে নির্যাতনের ফলে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৭% এ!'
5/6সেই ১৯৭১ সাল থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীদের উপর নির্যাতন, তাঁদের ধর্ষণ, জমিদখল, ডাকাতি ,খুন ঘটে চলেছে বলে উল্লেখ করেন বিমল মাঝি। বঙ্গ সেনারা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় বলে তিনি দাবি করেন। বর্তমানে বাংলাদেশের মৌলবাদী সরকার হিন্দুদের উপর অত্যাচারে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত। ওদেশের নিপীড়িত সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা এখন প্রশ্নের মুখে। সংখ্যালঘু রক্ষার্থে বাংলাদেশে হিন্দুদের জন্য পৃথক স্বাধীন 'বঙ্গভূমি' রাষ্ট্র গঠন করার ডাক দিচ্ছেন তাঁরা, বলে জানান তিনি।
6/6পরবর্তী পদক্ষেপ প্রসঙ্গে বিমল মাঝি বলেন, এর পরেই দিল্লিতে অবস্থিত রাষ্ট্রসংঘের কার্যালয়ে পৌঁছবে বঙ্গ সেনা। কারণ, বর্তমান বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি, তাতে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের উল্লেখিত ছয় জেলাকে নিয়ে বঙ্গভূমি রাষ্ট্র গঠন করা না হলে, আসন্ন সময়ে ওপার থেকে অত্যাচারিত নিপীড়িত অর্ধ শিক্ষিত হয়ে যে হিন্দু শরণার্থীরা ভারতে আসতে বাধ্য হবেন, তাঁদের সংখ্যাটি প্রায় পাঁচ কোটি! আর এঁদের দায়ভার নিতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকেই।