1/7নাগলেরি ফাউলেরি সেই অ্যামিবা। বিশ্ব জুড়ে স্বচ্ছ, উষ্ণ ও অগভীর জলে বাস এদের। লেকে, নদীতে, ঝরনায়, উষ্ণ প্রসব্রণে মেলে। এরা মাটিতেও থাকে। এরা ফ্রি-লিভিং অর্গানিজম।
2/7আপনি কী ভাবে আক্রান্ত হতে পারেন এর থেকে? যে জলে এই অ্যামিবার বাস, সেই জল যদি কোনও ভাবে আপনার নাকে ঢুকে যায়, তাহলেই ঘোর বিপদ। নাক থেকে অ্যামিবা মাথার দিকে যাত্রা করে। সাধারণত, সাঁতার কাটলে এই বিপদ ঘটতে পারে। জল-সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের অ্যাক্টভিটিতে গেলেই এর খপ্পরে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তবে, এই জল গিলে ফেললে কিন্তু কোনও ভয় নেই!
3/7এই অ্যামিবায় আক্রান্ত হলে তার লক্ষণ কী? এটা হলে যেটা ঘটে সেটার গালভরা নাম হল-- প্রাইমারি অ্যামিবিক মেনিনজোএনসেফানাইটিস (primary amoebic meningoencephalitis) বা প্যাম (PAM)
4/7হাইফিভার, প্রচণ্ড মাথার যন্ত্রণা, বমি-বমি ভাব, কাঁপুনি, স্টিফ নেক, আলোর প্রতি অনীহ, মেন্টাল কনফিউশন, কোমা। এর ফ্যাটালিটি রেট ৯৭ শতাংশেরও বেশি।
5/7ন্যাজাল ক্যাভিটি দিয়ে ব্রেনে পৌঁছলেই আক্রান্তের এই সব লক্ষণ দেখা যাবে। সংক্রমিত জল কোনও ভাবে ইনহেল করলেই বিপদ ঘটবে। জিওথার্মাল জল থেকে সাবধান!
6/7ধুলো ইনহেল করেলও এটা ঘটতে পারে। ডিসটিল্ড বা স্টেরিলাইজড জলের বদলে ট্যাপ ওয়াটার ব্যবহার করলেই মাথা-খেকো অ্যামিবার খপ্পরে পড়তে পারে যে কেউ।
7/7কীভাবে এ রোগের ডায়াগনসিস? আপনি এটায় আক্রান্ত হয়েছেন মনে করলে ডাক্তার আপনাকে স্পাইনাল ট্যাপ করানোর পরামর্শ দিতে পারেন। স্পাইনাল ট্যাপকে লাম্বার পাংকচারও বলে। এটা দেখে অর্গানিজমটা আপনার সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডে বাসা বেঁধেছে কি না! আপনাকে ব্রেন বায়োপ্সিও করাতে হতে পারে! মাথার কলা (টিস্যু) থেকে কোষ সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে দেখা হয়, তা আক্রান্ত হয়েছে কি না!
(Disclaimer: প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, কোনও সুপারিশ করা হচ্ছে না।)