China Plane Crash: তদন্তে জানা গেছে, মাঝ আকাশে থাকাকালীন পাইলট ম্যানুয়ালি বিমানের দুটি ইঞ্জিন এবং অটোপাইলট বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ককপিটে থাকা দুই পাইলটের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ধস্তাধস্তির প্রমাণও পাওয়া গেছে।
1/11জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মাঝ আকাশে বিমান, আচমকাই বন্ধ হয়ে গেল দুটো ইঞ্জিনেরই ফুয়েল সুইচ। সঙ্গে সঙ্গে ২৯ হাজার ফুট থেকে সোজা খাড়াভাবে নীচে নামতে শুরু করে।
2/11পাহাড়ে গায়ে আছড়ে পড়ে বিমানটি। বাঁচেননি একজনও। ১২৩ জন যাত্রী এবং ৯ জন ক্রু-সহ মোট ১৩২ জন সকলেই মৃত। ঘটনাটি ২০২২ সালের ২১ মার্চ চিনের।
3/11প্রশ্ন উঠতেই পারে যে, চার বছর পর কেন এই দুর্ঘটনার খবর আবার সামনে এল। আসলে তদন্তে উঠে এসেছে ভয়ংকর তথ্য। জানা গিয়েছে, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পিছনে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি নয়, বরং পাইলটের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভূমিকা ছিল।
4/11তদন্তে দেখা গিয়েছে, বিমানটি যখন ২৯,০০০ ফুট উচ্চতায় উড়ছিল, তখন সেটির দুটি ইঞ্জিনের ফুয়েল সুইচ (জ্বালানি সরবরাহের সুইচ) একসঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
5/11এই সুইচগুলো এমনভাবে তৈরি যে এগুলো দুর্ঘটনাবশত বন্ধ হওয়া প্রায় অসম্ভব। পাইলটকে নিজে থেকে সুইচটি টেনে ধরে 'অফ' পজিশনে নিতে হয়।
6/11ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডারের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি যখন খাড়াভাবে নিচে নামতে শুরু করে, তখন ককপিটে থাকা দুই পাইলটের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই চলছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এক পাইলট বিমানটিকে টেনে উপরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন।
7/11অন্যজন বিমানটির পড়ে যাওয়া নিশ্চিত করতে চাইছিলেন। একই সময়ে বিমানের অটোপাইলট ব্যবস্থাও ম্যানুয়ালি বা হাতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
8/11বিমান নিরাপত্তা বিশ্লেষক ডেভিড সুসি জানিয়েছেন, ফুয়েল সুইচগুলো বন্ধ করার পর সেগুলো আর কখনোই চালু করার চেষ্টা করা হয়নি। তার মতে, 'যদি ভুলবশত সুইচগুলো বন্ধ হয়ে যেত, তবে পাইলটরা অবশ্যই সেগুলো আবার চালু করার চেষ্টা করতেন।'
9/11কিন্তু রেকর্ড বলছে, ইঞ্জিন বন্ধ করার পর বিমানটি প্রায় শব্দের গতিতে নিচে আছড়ে পড়ে। এর আগে ২০২২ সালেই এক সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থা তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছিল যে, ব্ল্যাক বক্সের তথ্য অনুযায়ী ককপিট থেকে কেউ একজন বিমানটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে নীচের দিকে নামিয়েছিল।
10/11সেই সময় বাইরের কোনও ব্যক্তি ককপিটে ঢুকে এই কাজ করেছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও, বর্তমান তথ্যপ্রমাণে সরাসরি পাইলটদের একজনের দিকেই আঙুল তোলা হচ্ছে।
11/11চিনা কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা শুরু থেকেই জানিয়েছিল যে, উড্ডয়নের আগে বিমানের কাঠামো বা ইঞ্জিনে কোনও ত্রুটি ছিল না। নতুন এই তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর এখন এটি স্পষ্ট যে, এক ভয়াবহ মানবিক সিদ্ধান্তই কেড়ে নিয়েছিল ১৩২টি তাজা প্রাণ।