Deadliest Heatwave in Europe 2003: ২০০৩ সালের ইউরোপীয় তাপপ্রবাহে ১৫৪০ সালের পর থেকে ইউরোপে রেকর্ড করা সবচেয়ে উষ্ণ গ্রীষ্মকাল দেখা দেয়। স্পেন , ফ্রান্স এবং ইতালি বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
1/7ইউরোপে জলবায়ু পরিবর্তন আজকের নয়। তা ডেকে আনছে চরম আবহাওয়ার ঘটনা। বারবারই এরকম ভয়ংকর তাপপ্রবাহ হানা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, আমাদের লাগামছাড়া জীবনযাত্রার কারণেই এই ধরনের পরিস্থিতি আরও বাড়তে পারে!
2/7২০০৩ সালে ইউরোপ তাপপ্রবাহের ভয়ংকর চেহারা দেখেছিল। মানুষ আজও তা ভুলতে পারেনি! এর ফলে বেশ কয়েকটি দেশে স্বাস্থ্যসংকট দেখা দিয়েছিল। দক্ষিণ ইউরোপের কিছু অংশে হয়েছিল খরা। দেখা দিয়েছিল ফসলের ঘাটতি।
3/7মৃতের সংখ্যা ৭০,০০০ এরও বেশি বলে অনুমান করা হয়েছে। তবে, সরকারি হিসেব ছিল ৪৬ হাজার! সেটাই-বা কম কী?
4/7ফ্রান্স, পর্তুগাল, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, ইতালি, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ব্রিটেন, আয়ারল্যান্ডে এই হিটওয়েভের ভয়ংকর প্রভাব পড়েছিল।
5/7খরার কারণে দক্ষিণ ইউরোপের ফসল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল সেবার। দীর্ঘ খরায় গমের ক্ষতিই সবচেয়ে বেশি হয়েছিল। জানা গিয়েছিল, ফ্রান্সে ২০%, ইতালি ১৩%, ব্রিটেন ১২%, ইউক্রেন ৭৫% শস্যের ক্ষতি। অন্যান্য অনেক দেশে ৫-১০% ঘাটতি। এ ছাড়া আঙুর উৎপাদনেও ঘাটতি ছিল।
6/7কেন এরকম ঘটল? জুলাই এবং অগাস্টে ভযংকর তাপ রেকর্ড করা হয়েছিল ইউরোপে। আংশিকভাবে আটলান্টিক সমুদ্রের জল উষ্ণ হয়ে পড়ার প্রভাব পড়েছিল। এজন্য পশ্চিম ইউরোপীয় মৌসুমি বিলম্ব ঘটেছিল। উত্তপ্ত হয়ে পড়েছিল মহাদেশীয় বায়ু।
7/7প্রসঙ্গত, ফ্রান্স এই বছর দ্বিতীয় তীব্র তাপপ্রবাহের মুখোমুখি হয়েছে ক'দিন আগেই! দক্ষিণাঞ্চলীয় অঞ্চলগুলি সর্বকালের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত বোর্দোতে গত সোমবার বিকেল চারটে নাগাদ তাপমাত্রা ছিল ৪১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই এখানে ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। সেই রেকর্ড ভেঙে গেল! জুনের প্রথম হিটওয়েভের পরে এটা দ্বিতীয় হিটওয়েভ! সরকারের তরফে জনগণকে সতর্ক করা হয়েছে। বেশি করে জলীয় পদার্থ গ্রহণ থেকে তীব্র গরমে বাইরের কাজকর্ম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।