Pandemic fear, lockdown imposed: বাসিন্দাদের কোয়ারেনটাইনে থাকতে বলা হয়েছে। সংক্রামিত এলাকায় যাতায়াত আটকাতে বসানো হয়েছে একাধিক চেকপয়েন্ট।
1/9জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ফের মহামারীর চোখরাঙানি। মারণরোগে মৃত্যু বাড়ছে হু হু করে। মৃত্য়ু হার ৯০ শতাংশ। ইতিমধ্যেই লক ডাউন ঘোষণা বিভিন্ন শহরে। অতিমারীর আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
2/9ভয়াবহ ইবোলার কোপে কঙ্গো! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, কঙ্গোতে ইতিমধ্যেই নতুন করে আরও ৪৮ জন ইবোলা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। যাদের মধ্যে ৩১ জনই মারা গিয়েছেন। চলমান ইবোলা সংকটে মৃত্যুর হার ৬৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
3/9বর্তমানে জাইরে ইবোলাভাইরাস প্রজাতির ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। যার সংক্রমণে ৩৬ থেকে ৯০ শতাংশ রোগীর মৃত্যু অবধারিত। ওদিকে সুদান ভাইরাসের কারণে দেখা যাচ্ছে ইবোলা হেমোরেজিক জ্বর। যা বিরল হলেও, গুরুতর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে।
4/9সংক্রমণ রোধে ইতিমধ্যেই লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। বহু এলাকায় বাসিন্দাদের গৃহবন্দি মানে কোয়ারেনটাইনে থাকতে বলা হয়েছে। এমনকি সংক্রামিত এলাকায় যাতায়াত আটকানোর জন্য বসানো হয়েছে একাধিক চেকপয়েন্টও।
5/9ইবোলার সংক্রমণ রুখতে দেওয়া হচ্ছে টিকা। কঙ্গোর কাসাই প্রদেশের বুলাপেতে ইবোলার হটস্পট। সেখানে প্রাথমিকভাবে এরভেবো ভ্যাকসিনের ৪০০ ডোজ দেওয়া হয়েছে। আরও ১৬০০ ডোজ পাঠানো হচ্ছে।
6/9ইবোলার জন্য বর্তমানে এফডিএ অনুমোদিত দুটি চিকিৎসা পদ্ধতি হল- ইনমাজেব এবং এবাঙ্গা। ইবোলা সংক্রামিত ব্যক্তির রক্ত বা শরীরের অন্যান্য তরলের সংস্পর্শের মাধ্যমেই ছড়াচ্ছে এই ভয়ংকর রোগ।
7/9সেইসঙ্গে দূষিত বস্তু বা সংক্রামিত বাদুড় বা অন্য কোনও প্রাণীর সংস্পর্শের এলেও ছড়ায় এই রোগ। এই রোগের প্রাথমিক লক্ষ্মণের মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশীতে যন্ত্রণা, দুর্বলতা, ডায়রিয়া, বমি, পেটে ব্যথা ও রক্তপাত।
8/9মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও ইবোলার সংক্রমণের খবর মিলেছে। ওদিকে কঙ্গোতে এর আগেও ইবোলার সংক্রমণ ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ১৯৭৬ সাল থেকে কঙ্গোতে ইবোলার সংক্রমণ শুরু।
9/9২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলায় আক্রান্ত হন ২৮,৬০০ জনেরও বেশি। পূর্ব কঙ্গোতে ২০১৮ এবং ২০২০ সালে ইবোলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়।