1/7ভূগর্ভস্থ জলের মাত্রাতিরিক্ত উত্তোলনের' কারণে ভারতীয় মেট্রো শহরগুলি দ্রুততম হারে তলিয়ে যাচ্ছে। সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর এক গবেষণা। এর প্রধান কারণ হিসেবে ভূগর্ভস্থ জলের ব্যাপক এবং মাত্রাতিরিক্ত উত্তোলনকেই চিহ্নিত করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভূগর্ভস্থ জলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে তৈরি হচ্ছে পলিস্তর। এই পলিস্তরের (alluvial deposits) সংকোচনের কারণেই মাটি ক্রমশ বসে যাচ্ছে। দিল্লিতে এটাই হচ্ছে।
2/7এটাকে অবনমন বলা হচ্ছে। দিল্লিতে এই অবনমনের হারের গতি সর্বোচ্চ। রাজধানীতে ভূমির অবনমনের হার প্রতি বছর ৫১.০ মিলিমিটার!
3/7সমীক্ষা করা পাঁচ মেগাসিটির মধ্যে মুম্বই এবং কলকাতার পরেই রয়েছে দিল্লি। দিল্লি তৃতীয় স্থানে। তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষতিগ্রস্ত এই এলাকার পরিমাণ ১৯৬.২৭ বর্গ কিলোমিটার!
4/7গবেষকদের অনুমান, দিল্লিতে প্রায় ১.৭ মিলিয়ন (১৭ লক্ষ) মানুষ এই ভূমি অবনমনের বিপদের সম্মুখীন। Building Damage Risk in Sinking Indian Megacities শীর্ষক এই সমীক্ষা বলছে, রাজধানীতে বর্তমানে ২২৬৪টি ভবনের 'পায়ের তলা'র মাটি নিয়মিত সরছে!
5/7শুধু দিল্লি কেন? গোটা এনসিআরটাই বিপদের মুখোমুখি। জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের (NCR) অন্যান্য অংশেও এই ভূমি অবনমন চিহ্নিত হয়েছে। যেমন, বিজওয়াসনে প্রতি বছর ২৮.৫ মিমি হারে মাটি বসছে, ফরিদাবাদে বসছে ৩৮.২ মিমি হারে, গাজিয়াবাদে ২০.৭ মিমি হারে ভূমির অবনমন ঘটছে। এর মধ্যে আশ্চর্য ঘটনাও ঘটেছে। দিল্লিতে দ্বারকার কাছাকাছি কিছু এলাকায় প্রতি বছর ১৫.১ মিমি হারে ভূমি উত্থানও লক্ষ্য করা গিয়েছে।
6/7গবেষকরা দিল্লির ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই চিন্তিত। তাঁরা এই বিপদ নিয়ে সতর্কও করেছেন। তাদের বিশ্লেষণ বলছে, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে দিল্লিতে আনুমানিক ১১,৪৫৭টি ভবন ঘোরতর বিপদের মুখে পড়তে পারে।
7/7গবেষণাটি ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে স্যাটেলাইট রাডার পর্যবেক্ষণ (InSAR) বিশ্লেষণ করে প্রস্তুত করা হয়েছে। এর ফলগুলি পাঠানোও হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের কাছে। তাঁদের অবিলম্বে ভূগর্ভস্থ জল রক্ষা এবং তার পরিকাঠামো নিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে আহ্বান জানানোও হয়েছে।