Kaushiki Amavasya Tarapith: মহাপুণ্য কৌশিকী অমাবস্যায় এক বিশেষ মুহূর্তে তারাপীঠে খুলে যাবে রহস্যদরজা! তারপরই সেই আশ্চর্য অলৌকিক...

Written BySoumitra Sen
Published: Aug 22, 2025, 03:24 PM IST|Updated: Aug 22, 2025, 03:24 PM IST
Kaushiki Amavasya Tarapith: শুম্ভ-নিশুম্ভের অত্যাচারে দেবতারা অতিষ্ঠ হলে তাঁরা পার্বতীর শরণ নেন। দেবতাদের রক্ষা করতে মহামায়া দেবীমূর্তির রূপ ধরেন। আজ সেই লগ্ন। আর আজই ঘটে এক আশ্চর্য ঘটনা! কোথায়?
'তারা রাত্রি' 1/7

'তারা রাত্রি'

অতি মাহাত্ম্যপূর্ণ অমাবস্যা এই কৌশিকী অমাবস্যা। তন্ত্রে কৌশিকী অমাবস্যার রাতকে 'তারা রাত্রি' বলা হয়। 

তারাপীঠে2/7

তারাপীঠে

মা তারারই আরেক নাম কৌশিকী। দশমহাবিদ্যার অন্যতমা দেবী তারা মর্ত্যে আবির্ভূতা হন আজই। পুরাণমতে, এই দেবী কৌশিকীই শুম্ভ-নিশুম্ভকে বধ করেছিলেন। সেই থেকেই পালিত হয়ে আসছে কৌশিকী অমাবস্যা। দিনটিতে বীরভূমের তারাপীঠে মা তারার পুজো ও উৎসব হয়। ভক্তেরা ছোটেন তারাপীঠে।

মহানিশি, মহাতিথি3/7

মহানিশি, মহাতিথি

কৌশিকী অমাবস্যার গুরুত্ব অন্য সব অমাবস্যার থেকে আলাদা। তন্ত্রসাধকদের জন্য এই রাত মহানিশি, মহাতিথি। সাধারণ মানুষ এই তিথি পালন করেন তাঁদের জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর করতে, জীবন থেকে অশুভ শক্তিকে দূর করতে।

শিবের কাছে দেবতারা4/7

শিবের কাছে দেবতারা

দৈত্যপীড়িত দেবতারা কৈলাসে শিবের কাছে এসে তাঁদের উপর অসুরদের অত্যাচারের বিহিত চান। 

'কালিকা, তুমি ওঁদের উদ্ধার করো' 5/7

'কালিকা, তুমি ওঁদের উদ্ধার করো'

শিব তখন দেবতাদের সামনেই পার্বতীকে ডেকে বলেন, 'কালিকা, তুমি ওঁদের উদ্ধার করো।' সব দেবতার সামনে তাঁকে 'কালী' বলে ডাকায় পার্বতী ক্ষুব্ধ ও অপমানিত বোধ করেন, রেগেও যান। তখন তিনি তাঁর গাত্রবর্ণ পরিবর্তনের লক্ষ্যে মানস সরোবরের ধারে কঠিন তপস্যায় বসেন। 

অপূর্ব সুন্দরী কৃষ্ণবর্ণা6/7

অপূর্ব সুন্দরী কৃষ্ণবর্ণা

তপস্যাশেষে মানস সরোবরের জলে স্নান করেন পার্বতী। স্নানের পরে ত্বকের সব কালো-কোষ পরিত্যাগ করে পূর্ণিমাচাঁদের মতো গাত্রবর্ণ ধারণ করেন। তাঁর পরিত্যাগ করা কালো ওই কোষগুলি থেকে অপূর্ব সুন্দরী কৃষ্ণবর্ণা এক দেবীর সৃষ্টি হয়। সেই দেবীই কৌশিকী। 

রহস্যদরজা উন্মোচন7/7

রহস্যদরজা উন্মোচন

বলা হয়, এদিন রাতে এক বিশেষ মুহূর্তে স্বর্গ ও নরক উভয়ের দরজাই কিছুক্ষণের জন্য খুলে যায়। সাধক তাঁর ইচ্ছেমতো বিশেষ শক্তিসাধনার মাধ্যমে সিদ্ধিলাভ করে বাঞ্ছিত ধামে চলে যান 

(Disclaimer: প্রচলিত ধর্মীয় রীতি, শাস্ত্র বা তত্ত্বের ভিত্তিতে এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এটি মানা বা না মানার সুপারিশ করা হচ্ছে না। বিশ্বাস ব্যক্তিগত বিষয়। সচেতন পাঠক যা করবেন স্বদায়িত্বে। আমাদের সম্পাদকীয় দফতরের কোনও দায়বদ্ধতা নেই।)