Durga Puja 2025 বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা। শারদীয়ায় দুর্গা হিসেবে পুজিত হন তিনিই। চিরাচরিত রীতি মেনে মহালয়ার পরের দিন ঘটোত্তলন হল হল দেবীর।
1/8পার্থ চৌধুরী: উত্সব শুরু হয়ে গেল বর্ধমানে। চিরাচরিত রীতি মেনেই মহালয়ার পরের দিন ঘটোত্তলন হল সর্বমঙ্গলা দেবীর। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক আয়েষা রাণী , পুরপ্রধান পরেশ সরকার, বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল প্রামাণিক, মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস,প্রধান পুরোহিত অরুণ ভট্টাচার্য-সহ আরও অনেকে।
2/8কলকাতার যেমন কালীঘাট, বীরভূমের যেমন তারাপীঠ, তেমনিই বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা। শারদীয়ায় দুর্গা হিসেবে পুজিত হন তিনিই।
3/8বর্ধমান শহরের এই এ মন্দিরটির বয়স কমপক্ষে তিনশো তেইশ বছর। প্রধান পুরোহিত জানান, ১৭০২ খ্রীস্টাব্দে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন বর্ধমানের মহারাজা কীর্তিচাঁদ। তবে মূর্তির বয়স নাকি আরও বেশি!
4/8মহালয়ার পরদিন সকালে ঘটোত্তলনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপুজো শুরু হয় সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। বর্ধমানের রাজাদের খনন করা কৃষ্ণসায়র থেকে জল ভরা হয় ঘটে। এরপর সেই ঘট স্থাপন করা হয় মন্দিরে। আগামীকাল, মঙ্গলবার দেবীকে পরানো হবে রাজবেশ।
5/8চিরাচরিত রীতি মেনে পুজোর চারদিন দেবী সর্বমঙ্গলাকে দেওয়া হবে মাছের টক। সঙ্গে আরও নানা উপাচারের থালি।
6/8মন্দিরের বিগ্রহটি কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভূজা সিংহবাহিনী মহিষামর্দিনী। দৈর্ঘ্যে বারো ইঞ্চি, প্রস্থে আট ইঞ্চি। ভক্তদের বিশ্বাস, দেবী অত্যন্ত জাগ্রত।
7/8কথিত আছে, মেছুনীরাই নাকি মাতৃরূপ বুঝতে পেরে তার পুজো শুরু করেন। মাছের টক সেই থেকেই নাকি প্রচলিত। স্বপ্নাদেশ পেয়ে দেবীকে এই প্রাচীন মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করা হয়। রাজ অনুগ্রহে নিযুক্ত হন পুরোহিতরাও।
8/8আগে সন্ধিপুজোর সময়ে কামান দাগা হত সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে। কিন্তু ১৯৯৭ সালে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর থেকে সেই প্রথা বন্ধ হয়ে যায়। এই বিস্ফোরণে দুজন মারা যান।