ডায়াবেটিস এমন এক রোগ যা ঘরে ঘরে দেখা যায়। তবে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চিনি এড়িয়ে চললেও, এমন অনের খাবার আছে যা শরীরে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। জেনে নিন সে সব খাবারের নাম-
1/5ডায়াবিটিস এমন এক রোগ যা পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব নয়। তবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যতই ওষুধ খান, শরীরচর্চা করুন, খাদ্যাভাসে পরিবর্তন না আনলে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমানো সম্ভব নয়। কিন্তু খাবারের দিকে নজর রাখছেন,তাও নিয়ন্ত্রণে থাকছেনা রক্তে শর্করার পরিমাণ? অজান্তেই খেয়ে ফেলছেন না তো এমন খাবার?
2/5চিনি এবং চিনি যুক্ত খাবার খেলেই বাড়ে রক্তে শর্করার মাত্রা। এটি একটি খুবই ভুল ধারণা। ময়দায় আছে বেশি পরিমাণে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স। যা রক্তে বাড়ায় অতিরিক্ত মাত্রায় শর্করা। তা ছাড়া ময়দায় ফাইবার থাকে না। সাদা ময়দার পাউরুটি, লুচি, পাস্তা, চাউমিন, কেক, কুকিজ-এইগুলো সবই তৈরি হয় সাদা ময়দা দিয়ে। ফলে এই খাবারগুলি এড়িয়ে চলুন।
3/5ফল সাস্থ্যের জন্য উপকারী তা সকলেরই জানা। অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় ফল ছাড়া সব ফলই খাওয়া যেতে পারে। তবে ফলের রস খেলেই বিপদ। ফলে থাকে ফাইবার, প্রচুর পরিমাণে মিনারেলস। তবে ফলের রস খেলে, তাত পড়ে থাকে কিছু মিনারেলস এবং ফ্রুক্টোজ়। সবথেকে জরুরি ফাইবার, যা থাকে না ফলের রসে। এছাড়া বাজারের প্যাকেট ফলের রস, যা আরও ক্ষতিকর। এতে থাকে শুধু চিনি। যা বাড়াবে রক্তে শর্কার পরিমাণ।
4/5ভাত, রুটিতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি থাকায় অনেকেই এড়িয়ে চলেন।প্রাতঃরাশে অনেকেই প্যাকেট জাতীয় ফ্লেভার্ড সিরিয়াল এবং ইওয়াগার্ট খেয়ে থাকেন। চিনি ছাড়া সিরিয়াল এবং দই শরীরে ক্ষেত্রে ভালো হলেও, সিনথেটিক ফ্লেভার্ড যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। এই সব খাবারে থাকে প্রচুর চিনি। ফলে উপকারের বদলে অপকারই বেশী হয় এই সব খাবারে। বদলে ওটস,বাজরা, কিনোয়া, ডালিয়া খেতে পারেন। আর ফ্লেভার্ড ইওগার্টের বদলে বাড়িতে পাতা টক দই। সাদা ভাতও খেতে পারেন রোজ। তবে মেপে,৫০গ্রাম।
5/5মিষ্টি খাবারের সঙ্গে সঙ্গে ভাজাভুজি খাবারও ছেড়ে দেওয়া উচিত। চপ, শিঙাড়া- যেকোনও ডুবো তেলে ভাজা খাবার শরীরে পক্ষে খারাপ। রক্তে বাড়ায় শর্করার পরিমাণ। এছাড়া বাড়াতে পারে ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগের ঝুঁকি।