Bangladesh Air Force Jet Crashes: ঢাকার স্কুলে ভেঙে পড়েছে বাংলাদেশের চিনা জেট! ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর কতটা শক্তিশালী হয়েছে সেই দেশের বায়ুসেনা। এই প্রতিবেদনে রইল তারই উত্তর।
1/11ফের ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনা! এবার আক্রান্ত বাংলাদেশ। ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুলের এক ভবনের উপর ভেঙে পড়েছে প্রশিক্ষণ বিমান। আর তারপরেই স্কুলে আগুন ধরে যায়। ঘটনায় দু'জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। আহত ১০০ জন। বেশির ভাগই শিক্ষার্থী বলেই খবর।
2/11বাংলাদেশে Air Force F-7 BGI প্রশিক্ষণ বিমান ভেঙে পড়েছে। যা চিনের তৈরি। এই প্রতিবেদনে চোখ বুলিয়ে জেনে নিন যে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর কতটা শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ওরফে বিএএফ।
3/11১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধই ইতিহাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ নামে পরিচিত। সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালি তাদের স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। ৭১-এর ২৫ মার্চে পাক সেনার 'অপারেশন সার্চলাইট'-এর প্রত্যুত্তরে এই যুদ্ধ হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ওরফে বাংলাদেশের। ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল।
4/11বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া রিপোর্ট বলছে যে, ইউনূসের দেশের ২১৬ ফ্লিটের বিমানবহর রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, পরিবহণ বিমান এবং প্রশিক্ষন বিমান। ৪৪টি যুদ্ধ বিমান রয়েছে বাংলাদেশের এবং ৬৫টি হেলিকপ্টার আছে।
5/11পুরনো এবং নতুন বিমানের মিশেলেই পরিচালিত। প্রাইমারি ফাইটার জেট বলতে তাদের আছে চেংডু এফ-৭ (সোভিয়েত যুগের মিগ-২১ এর একটি চিনা সংস্করণ)। আছে অল্প সংখ্যক রাশিয়ান মিগ-২৯ ও আরও আধুনিক মর্ডাল মাল্টিরোল ফাইটার। লাইট অ্যাটাক এয়ারক্রাফ্টের মধ্যে রয়েছে রাশিয়ান ইয়াক-১৩০
6/11কৌশলগত এবং লজিস্টিক বিমান পরিবহণের জন্য সি-১৩০ হারকিউলিস (সি-১৩০বি এবং সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস উভয়ই), আন্তোনভ এএন-৩২ এস এবং লেট এল-৪১০ টার্বোলেটসের উপর নির্ভরশীল
7/11বিএএফ-এর হেলিকপ্টারের মধ্যে রয়েছে মিল এমআই-১৭ (ট্রুপ পরিবহণ এবং গানশিপ ভূমিকার জন্য ব্যবহৃত), বেল ২১২, এবং আগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ড এডব্লিউ ১৩৯ (এসএআর এবং ইউটিলিটি ভূমিকার জন্য)।
8/11বিএএফ উন্নত জেট প্রশিক্ষণ এবং লাইট অ্যাটাকের জন্য হংডু জেএল-৮ (কে-৮ডব্লিউ) ব্যবহার করে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে চেংডু এফটি-৭ (ফাইটার প্রশিক্ষন বিমান), গ্রোব জি ১২০টিপি, নানচাং পিটি-৬, অ্যারো এল-৩৯ অ্যালবাট্রোস, বেল ২০৬ এবং আগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ড এডব্লিউ ১১৯ ব্যবহার করে।
9/11বাংলাদেশ অস্ত্রাগারে ইতালির সেলেক্স ইএস ফ্যালকোর মতো মনুষ্যবিহীন আকাশযান (UAV) রয়েছে। তুর্কিয়ের বেরাকতার টিবিটু ইউসিএভি এবং স্লোভেনিয়ান বারমোর সি ফোর ইওয়াইই-ও রেখছে
10/11বাংলাদেশ সেনা এবং নৌসেনা তাদের নিজস্ব এভিয়েশন সিস্টেমও চালায়। আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ মিল এমআই-১৭ এবং ইউরোকপ্টার এএস৩৬৫ এর মতো হেলিকপ্টার চালায়। পাশাপাশি সিএসএসএ সি-২৯৫ এর মতো পরিবহণ বিমান এবং ডায়মন্ড ডিএ ৪০ এর মতো প্রশিক্ষণ বিমানও চালায়। নেভাল এভিয়েশন শাখা এডব্লিউ ১০৯ হেলিকপ্টার এবং ডর্নিয়ার ডো ২২৮ সামুদ্রিক টহল বিমান পরিচালনা করে।
11/11বাংলাদেশ নিয়েছে 'ফোর্সেস গোল ২০৩০' কর্মসূচি। বিমান বাহিনীকে আধুনিকীকরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তারা। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হল আরও উন্নত বিমান প্রবর্তন করা এবং বিমান প্রতিরক্ষার সক্ষমতা বাড়ানো। সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিসের মতো নতুন বিমান এসেছে এবং আরও উন্নত যুদ্ধবিমান পরিচালনার জন্য পাইলটদের প্রস্তুত করার জন্য একটি উন্নত প্রশিক্ষণ ইউনিট প্রতিষ্ঠা করেছে। ইউরোফাইটার টাইফুন বা রাফালের মতো ১৬টি বহুমুখী যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাব্য পরিকল্পনাও রয়েছে। বাংলাদেশ আধুনিক রাডার সিস্টেম এবং এফএম-৯০-এর মতো ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইল সিস্টেমও নেওয়ার কথা ভাবছে