Hoogly crime News: হলুদ স্কুটিতে চাপ চাপ রক্ত,কিছুটা দূরের ডোবা থেকে উদ্ধার যুবকের মৃতদেহ! হুগলির চন্ডীতলার হাটপুকুর এলাকার এই ঘটনায় মৃতের পরিচয় জানা গেল।
1/9খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। মৃতের স্ত্রী-সহ সন্দেহভাজনদের আটক করে চলছে মোটিভের খোঁজ।
2/9স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিস সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাত আটটা নাগাদ স্থানীয়দের নজরে আসে নবাবপুর জনাই রোডের পাশে একটি হলুদ রঙের স্কুটি দাঁড়িয়ে আছে। স্কুটির গায়ে লেগে চাপ চাপ রক্ত, যা দেখে রহস্য ঘনীভূত হয়।
3/9স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান,তাঁরা হাটপুকুর মোড়ে বসে ছিলেন। তখন কেউ এসে রক্ত মাখা স্কুটির খবর দেয়। গিয়ে দেখেন সেই রক্তের ফোঁটা ফোঁটা দাগ একটা ডোবা পর্যন্ত রয়েছে।
4/9স্কুটির পাশে পড়েছিল একটি অ্যাসিডের ভাঙা বোতল। স্থানীয়রাই পুলিসকে খবর দেয়। চন্ডীতলা থানার পুলিস আসে। খোঁজাখুঁজি শুরু করে। রাত সাড়ে দশটার পর ডোবা থেকে উদ্ধার হয় যুবকের মৃতদেহ। তার গলায় গভীর ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।
5/9ঘটনাস্থল থেকে একটি হেডফোন,রক্তমাখা চটি ও স্কুটি উদ্ধার করেছে পুলিস।
6/9আজ মৃতের পরিচয় জানা যায়। হুগলি পান্ডুয়ার চাঁদপুরের বাসিন্দা ছিলেন শ্রীমন্ত কোড়া(৪৯)। পান্ডুয়ারই টুম্পা ক্ষেত্রপালকে বিবাহ করে গত তিন বছর ধরে চন্ডীতলার কুমির মোরার কাছে ঘড় ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন। রাজ-মিস্ত্রির কাজ করতেন।
7/9শ্রীমন্ত আর টুম্পা দুজনেরই এটা দ্বিতীয় বিবাহ ছিল। দুজনেরই আগের পক্ষের দুটি করে সন্তান রয়েছে।
8/9কী কারনে শ্রীমন্তকে খুন করা হল সেই মোটিভ খোঁজার চেষ্টা করছে পুলিস। একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে,গতকাল ঘটনার সময় শ্রীমন্তর স্ত্রী পান্ডুয়ায় ছিলেন।
9/9খুনের পিছনে যদি তার হাত থাকে তাহলে তৃতীয় ব্যাক্তিকে কাজে লাগানো হয়েছে। সেক্ষেত্র খুনি ভাড়া করা হয়েছিল নাকি মৃতের স্ত্রী কোনও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।