SSC candidates: এসএসসি ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে এই অভিযোগ করে প্রতিবাদে মস্তক মুণ্ডন করিয়েছিলেন এক মহিলা চাকরিপ্রার্থী। তাঁর মাথা মোড়ানো নিয়ে সে সময় সংবাদমাধ্যমে বিস্তর আলোচনা হয়েছিল। একাদশ দ্বাদশের শিক্ষকতার জন্য চলতি বছরে তিনি ফের পরীক্ষা দিয়েছেন কিন্তু ইন্টারভিউ তালিকায় তার নাম ওঠেনি। তাই তিনি এখনও চাকরিহারা। অপেক্ষমাণ চাকরিপ্রার্থীরা জানাচ্ছেন, গত পাঁচ বছর ধরে এসএসসি-র দুর্নীতি নিয়ে সব চেয়ে বেশি সরব ছিলেন তাঁরাই। ১৩০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ময়দানে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ-অবস্থান করেছেন। তাঁদের সেই আন্দোলন ঘিরে এক সময়ে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি।
1/8এসএসসি বিতর্ক থামছেই না। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দশ নম্বরের গেরোয় আটকে লক্ষ লক্ষ চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ।
2/8২০১৬ সালের এসএসসিতে দুর্নীতি হয়েছে কিন্তু এত কিছুর পরও একাদশের ফল পূরণ করে দেখা যাচ্ছে আমরাই সব দিক থেকে বঞ্চিত। অপেক্ষমাণ চাকরিপ্রার্থীদের বক্তব্য, ১০ নম্বরের সুবিধা ও পেলাম না আবার চাকরি পাওয়ার বয়সও চলে গেল।
3/8অপেক্ষমাণ চাকরিপ্রার্থীরা জানাচ্ছেন গত পাঁচ বছর ধরে এসএসসি দুর্নীতি নিয়ে সড়ক ছিল তারাই। নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির মধ্যেই রয়েছে ধোঁয়াশা। ফল প্রকাশের পর দুধ জল আলাদা হয়েছে।
4/8প্রথম দফায় ফ্রেশর এবং চাকরি যাওয়া যোগ্য শিক্ষকরা উভয়ই ভেবেছিলেন তাদের চাকরি পাওয়ার পথ সুগম।
5/8মামলার সঙ্গে আইনজীবী আশীষ চৌধুরী বলেন, 'এখানে দু পক্ষই ধন্ধে আছেন। ফ্রেশর যারা তারা লিখিত পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পেয়েও ইন্টারভিউয়ে ডাক পাচ্ছেন না। কারণ অভিজ্ঞতার ১০ নম্বরের জন্যে। তারা আগে ভেবেছিলেন অনেক আসন আছে। লেখা পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পেলে ডাক পাবেন।'
6/8২০১৬ সালে বিশেষ ভাবে সক্ষমদের জন্যে ছিল ৩১টি আসন। সেটা কমে ২১ হয়েছে। তাই যোগ্য হয়েও ১০ জন চাকরি পাচ্ছেন না।
7/8শিক্ষকতা করার অভিজ্ঞতা নিয়েও ধোঁয়াশা। তারপর ১০ নম্বর কখন দেওয়া হবে? এটাও বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কার নয়।
8/8আশীষ বাবুর কথায়, 'ফল প্রকাশের পর অনেকেই সুযোগ পাচ্ছেন না। অনেক অসঙ্গতি ধরা পড়ছে। পরপর মামলা ফাইল হচ্ছে।'