Gold Reserve: এই আবিষ্কার ভারতের অভ্যন্তরীণভাবে সোনা উত্তোলনের চেহারাটাই বদলে দেবে! বলছেন বিশেষজ্ঞরা...
1/8জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: গুপ্তধনের খোঁজ! ভারতের খোঁজ মিলল এক বিপুল বিশাল রত্নভান্ডারের! ১-২ টন নয়, ২০ টন সোনা। এই বিপুল পরিমাণ সোনা লুকিয়ে রয়েছে মাটির নীচে।
2/8ভূতাত্ত্বিক জরিপের সময় ওড়িশার বিভিন্ন জেলায় এই সোনা মজুত থাকার খোঁজ পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ৬ জায়গায় সোনার খনির বিষয়টি নিশ্চিত।
3/8দেওগড় (আদাসা-রামপল্লি), সুন্দরগড়, নবরঙ্গপুর, কেওনঝাড়, আঙ্গুল ও কোরাপুট জেলায় সোনা মজুতের বিষয়টি নিশ্চিত। ময়ূরভঞ্জ, মালকানগিরি, সম্বলপুর এবং বৌদ্ধে খনি অনুসন্ধানের কাজ চলছে।
4/8ওড়িশার এই আবিষ্কার ভারতের অভ্যন্তরীণভাবে সোনা উত্তোলনে উল্লেখযোগ্য মাত্রা আনবে আশাবাদী বিশ্লেষকরা। ২০২০ সালের হিসেবে দেশে সোনার উৎপাদন সর্বনিম্ন, বার্ষিক মাত্র ১.৬ টন।
5/8এখন ওড়িশা সরকার, ওড়িশা মাইনিং কর্পোরেশন (ওএমসি) এবং জিএসআই-এর সঙ্গে মিলে এই সোনার খনির বাণিজ্যিকীকরণের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।
6/8দেওগড়ে প্রথম সোনার খনির ব্লক নিলামে তোলার পরিকল্পনা চলছে। এমএমডিআর আইনের নির্দেশিকা অনুসারে খনির ব্লক নিলাম করা হবে।
7/8খনি আবিষ্কার হওয়ার পর আকরিকের গ্রেড ও নিষ্কাশনযোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়। তারপর ওই খনির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে।
8/8এর পরবর্তী ধাপ, খনির জন্য রাস্তাঘাট ও অন্যান্য পরিকাঠামোগত উন্নয়ন। বিশ্লেষকরা আশাবাদী, ওড়িশার সোনার খনি ভারতের সোনা আমদানির চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে না পারলেও, অনেকাংশে কম করবে।