Army Doctor Helps Delivery: যেন চোখের সামনে থ্রি ইডিয়সটস-এর দৃশ্য জীবন্ত হয়ে উঠল। হাতের কাছে কিচ্ছু নেই- মাথার চুল বাঁধার ক্লিপ এবং পকেটে ছুরি। তাই দিয়ে নবজাতক এল মায়ের কোলে। সময় কম, এদিকে উপায়ও নেই, তাই...
1/9জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এমন দৃশ্য যে হতে পারে তা কল্পনাও করেননি সেই মা। ঝাঁসি রেলওয়ে স্টেশন সিনেমার দৃশ্যই যেন বাস্তবতা পেল। পকেট ছুরি, চুলের ক্লিপ, একটি ধুতি- এই তিন সার্জিক্যাল টুলেই প্রসব হল নবজাতক।
2/9প্ল্যাটফর্মেই শুরু হয় প্রসবযন্ত্রণা, হাসপাতালে পৌঁছনোর সময় ছিল না। সেই পরিস্থিতিতে ঝাঁসি স্টেশনে সেনাবাহিনীর এক চিকিৎসকের উপস্থিত বুদ্ধি ও সাহসিকতায় একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হল শনিবার দুপুরে।
3/9ঘটনাটি ঘটেছে বীরঙ্গনা লক্ষ্মীবাই ঝাঁসি স্টেশনে। পানভেল থেকে বারাবানকি যাওয়ার পথে ট্রেনের মধ্যেই প্রসবযন্ত্রণা ওঠে এক মহিলার। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী ও সন্তান। দ্রুত রেল মদদ অ্যাপের মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন জানানো হয়।
4/9ঝাঁসির সামরিক হাসপাতালের মেজর চিকিৎসক রোহিত বাচওয়ালা স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষা করছিলেন ৷ হঠাৎ তিনি দেখেন এক মহিলার প্রসব বেদনা উঠেছে ৷ সঙ্গে সঙ্গে এগিয়ে আসেন ডাঃ রোহিত এবং মহিলার প্রসবে সাহায্য করেন ৷ ওই মহিলা পানভেল-গোরখপুর এক্সপ্রেসে যাচ্ছিলেন ৷
5/9অ্যাম্বুল্যান্স ডেকেও ছিল স্টেশন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেই সময় ছিল না। রেলের মহিলাকর্মীদের জায়গাটি ঘিরে দিতে বলেন। শুরু হয় অপারেশন। একটি পকেট ছুরি ও চুলের ক্লিপ দিয়ে মহিলার সন্তান প্রসব করান তিনি। সদ্যজাত ও মা দু’জনই সুস্থ রয়েছেন।
6/9সেনাবাহিনীর ওই চিকিৎসক বলেন, 'একজন মহিলা টিটিই ওই গর্ভবতী মহিলাকে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ফুটব্রিজের উপর থেকে ওঁর চিৎকার শুনতে পেয়েই আমি ছুটে যাই। আমার কাছে যা কিছু ছিল, তাই দিয়েই ওঁর প্রসব করাই।'
7/9তিনি আরও বলেন, সঠিক অপারেশন থিয়েটারের কোনও সুবিধা না থাকায়, আমার সঙ্গে থাকা যন্ত্রপাতির ওপরই ভরসা করতে হয়েছে। অ্যাম্বিলিক্যাল কর্ড ক্যাল্প করতে হেয়ার ক্লিপ ব্যবহার করি। শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল হওয়ার পর, পকেট নাইফ দিয়ে তা কেটে দিই। মা এবং শিশুর অবস্থা খুবই সংকটজনক ছিল তাই প্রতিটি সেকেন্ড ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
8/9ওই চিকিত্সকের মতে, সময় নষ্ট করার সুযোগ ছিল না। আমরা তৎক্ষণাৎ একটি অস্থায়ী প্রসবের জায়গা তৈরি করি এবং যেসব সামগ্রী হাতের কাছে ছিল, তার সাহায্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করি। ঐ মুহূর্তে আমার উপস্থিত থাকা যেন ঈশ্বরেরই আশীর্বাদ ছিল।
9/9এরপর রেলের অ্যাম্বুল্যান্সে মা ও সন্তানকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ তাঁরা এখন সুস্থ আছেন বলেই খবর ৷