Kasba Law College Gang Rape Case: কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্রের আইনজীবী পদ খারিজ করে দিয়েছে রাজ্যের বার কাউন্সিল।
1/10Kasba Law College Gang Rape Case: কসবার সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজের ভিতরই এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড় সারা রাজ্য়। এমনকি আর জি কর কাণ্ডের ফের কলকাতার কলেজে ধর্ষণের ঘটনা জাতীয় সংবাদমাধ্যমেরও শিরোনাম দখল করেছে। এবার সামনে এল কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে পুলিসের কাছে মনোজিতের 'বড়' স্বীকারোক্তি!
2/10অভিযোগপত্রে নির্যাতিতা জানিয়েছিলেন, তিনি হাতে পায়ে ধরে আকুতি মিনতি করলেও তাঁকে ছাড়া হয়নি। প্রথমে ইউনিয়ন রুমে তাঁকে নির্যাতনের চেষ্টা করা হয়। তারপর তাঁকে টানতে টানতে গার্ড রুমে নিয়ে গিয়ে সেখানে ধর্ষণ করে মনোজিৎ। পাহারা দেয় মনোজিতের ২ শাগরেদ, প্রমিত মুখার্জি ও জইব আহমেদ।
3/10নির্যাতিতার মেডিক্যাল রিপোর্টেও মিলেছে ভয়ংকর যৌন নির্যাতনের প্রমাণ। মিলেছে যৌনাঙ্গের ভিতর একাধিক ক্ষত। মিলেছে গলায়, ঘাড়ে, বুকে নখের আঁচড়ের চিহ্ন। যৌন নির্যাতনের যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে নির্যাতিতার শরীর থেকে।
4/10অভিযোগপত্রে নির্যাতিতা আরও লিখেছেন, তাঁকে নির্যাতনের ভিডিয়োও করা হয়। তাঁকে যখন মনোজিৎ ধর্ষণ করছে, তখন তাঁর ভিডিয়ো তোলা হয়। মনোজিতের ফোনে মেলে নির্যাতিতার সেই বিবস্ত্র ভিডিয়ো! দেড় মিনিটের ভয়ংকর ক্লিপ!
5/10জানা যায়, মনোজিৎ যখন ওই তরুণীকে ধর্ষণ করছিল, তখন সেই ভিডিয়ো তুলছিল ২ জন- প্রমিত ও জায়েব। জায়েবের মোবাইল থেকে ঘটনার পর সেই ভিডিয়ো পাঠানো হয় মনোজিতের মোবাইলে।
6/10এখন কলকাতা পুলিসের কাছে ধৃত মনোজিতের স্বীকারোক্তি, "আমি ওই ভিডিয়োটি তৈরি করেছি। যাতে ওই মেয়েটি পুলিসের কাছে না পৌঁছায়।" উল্লেখ্য, আগেই নির্যাতিতা অভিযোগ করেছিলেন, ভিডিয়ো দেখিয়ে তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করার।
7/10জানা গিয়েছে, মনোজিৎ মিশ্র ওরফে ম্যাংগো পুলিসকে স্বীকারোক্তিতে জানিয়েছে, সে আত্মবিশ্বাসী ছিল ধর্ষণের ভিডিয়োর মাধ্যমে সে নির্যাতিতাকে ব্ল্যাকমেইল করতে পারবে। ভিডিয়োটি ভাইরাল হওয়ার ভয়ে নির্যাতিতা পুলিসের কাছে যাবেন না। কিন্তু এক্ষেত্রে সেটা ঘটেনি। নির্যাতিতা সাহস দেখিয়ে থানায় গিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
8/10এমনকি আরও জানা গিয়েছে, ঘটনার পরের দিন অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র কলেজের একজন কর্মচারীকে ফোন করে। জানতে চায়, পুলিস ক্যাম্পাসে এসেছে কি না। যখন বুঝতে পারে যে নির্যাতিতা থানায় গিয়েছে, তখন সে তার আইনজীবী বন্ধু ও কলেজের সিনিয়রদের সাহায্য চায়। কিন্তু সবাই সাহায্য করতে অস্বীকার করে।
9/10এরপরই সন্ধ্যা ৭টা ২০ নাগাদ বালিগঞ্জ স্টেশনের কাছে মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্রকে গ্রেফতার করে পুলিস। তারপর সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ নাগাদ তালবাগান এলাকা থেকে গ্রেফতার হয় জঈব। একইদিনে অপর অভিযুক্ত প্রমিত মুখার্জিকেও গ্রেফতার করে পুলিস।
10/10তদন্তে উঠে এসেছে, ওই তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের ছক ঘটনার ২ দিন আগে থেকেই কষেছিল মনোজিৎ। সেজন্য ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। ইউনিয়নে বড় পদ পাইয়ে দেওয়ার টোপও দেয়। কিন্তু ওই তরুণী তার কোনও প্রস্তাবেই রাজি না হলে, মনোজিৎ তার পূর্ব পরিকল্পনা মতো জোর খাটায় তরুণীর উপর।