Kerala Brain eating Amoeba: ভয়ংকর! মাথার ঘিলু খেয়ে নিঃশেষ করে দিচ্ছে মগজ-খেকো অ্যামিবা, কেরালায় মৃত্যু-মিছিল...জারি সতর্কতা...

Published: Sep 17, 2025, 03:59 PM IST|Updated: Sep 17, 2025, 03:59 PM IST

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: কেরালাতে সম্প্রতি "ব্রেইন-ইটিং অ্যামিবা" (মস্তিষ্ক-খেকো অ্যামিবা) সংক্রমণের কারণে কর্তৃপক্ষ উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। এই সংক্রমণটি খুবই বিরল, কিন্তু অত্যন্ত মারাত্মক।

কী ভাবে ছড়ায়: 1/13

কী ভাবে ছড়ায়:

এই সংক্রমণটির নাম হল প্রাইমারি অ্যামিবিক মেনিনগোএনসেফালাইটিস (PAM), যা নেগলেরিয়া ফাউলেরি (Naegleria fowleri) নামক একটি এককোষী অ্যামিবার কারণে হয়। এই অ্যামিবা সাধারণত উষ্ণ, স্থবির বা অপরিষ্কার পুকুর, হ্রদ, নদী এবং দুর্বলভাবে ক্লোরিনযুক্ত সুইমিং পুলে পাওয়া যায়।

সংক্রমণের পদ্ধতি:2/13

সংক্রমণের পদ্ধতি:

 এটি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়ায় না। সাধারণত, যখন দূষিত জল সাঁতার কাটা বা স্নানের সময় নাকের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে, তখন এই অ্যামিবা মস্তিষ্কে পৌঁছায় এবং সেখানে গুরুতর প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা সাধারণত প্রাণঘাতী হয়।

কী ভাবে ছড়ায়:3/13

কী ভাবে ছড়ায়:

 এই সংক্রমণটির নাম হল প্রাইমারি অ্যামিবিক মেনিনগোএনসেফালাইটিস (PAM), যা নেগলেরিয়া ফাউলেরি (Naegleria fowleri) নামক একটি এককোষী অ্যামিবার কারণে হয়। এই অ্যামিবা সাধারণত উষ্ণ, স্থবির বা অপরিষ্কার পুকুর, হ্রদ, নদী এবং দুর্বলভাবে ক্লোরিনযুক্ত সুইমিং পুলে পাওয়া যায়।

লক্ষণ:4/13

লক্ষণ:

 সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র মাথা ব্যথা, জ্বর, বমি বমি ভাব এবং বমি। পরে রোগীর মধ্যে বিভ্রান্তি, খিঁচুনি, ভারসাম্যহীনতা এবং অবশেষে কোমা দেখা দিতে পারে। লক্ষণ দেখা দেওয়ার ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে সাধারণত মৃত্যু ঘটে।

কেরালায় বর্তমান পরিস্থিতি5/13

কেরালায় বর্তমান পরিস্থিতি

কেরালায় এই বছর এখন পর্যন্ত ৬৯ টি নিশ্চিত সংক্রমণের ঘটনা এবং ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

6/13

বিশেষ করে কোঝিকোড়, মালপ্পুরম এবং কান্নুরের মতো জেলাগুলোতে এই সংক্রমণ দেখা গেছে।

7/13

কর্তৃপক্ষ জনস্বাস্থ্য এবং জলের উৎসগুলোতে নজরদারি বাড়িয়েছে এবং জল পরিষ্কার রাখার জন্য ক্লোরিনেশন করার পরামর্শ দিয়েছে।

রোগ নির্ণয় ও প্রতিরোধ8/13

রোগ নির্ণয় ও প্রতিরোধ

রোগ নির্ণয়: সংক্রমণ নির্ণয় করা কঠিন এবং সাধারণত খুব দেরিতে ধরা পড়ে। রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা জরুরি।

প্রতিরোধ:9/13

প্রতিরোধ:

 যেহেতু এই রোগের কার্যকর চিকিৎসা সীমিত এবং বেঁচে থাকার হার খুবই কম, তাই প্রতিরোধই সবচেয়ে ভালো উপায়। জনসাধারণকে নিম্নলিখিত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে:

10/13

নোংরা বা স্থবির জলে সাঁতার কাটা বা স্নান করা এড়িয়ে চলুন।

11/13

পুকুর, নদী বা হ্রদে নামার সময় নাকে জল প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকুন।

12/13

সুইমিং পুলের জল সঠিকভাবে ক্লোরিনযুক্ত কিনা তা নিশ্চিত করুন।

13/13

যদি কোনো ব্যক্তি কোনো জলজ পরিবেশে যাওয়ার পর জ্বর, মাথা ব্যথা বা অন্য কোনো স্নায়বিক লক্ষণ অনুভব করেন, তবে দেরি না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।