Chuchura Circus: একটা সময় ছিলো সার্কাসে বাঘ সিংহ হাতি গন্ডার শিম্পাঞ্জি দেখা যেত। এখন সেসব অতীত। এখন মূলত জিমনাস্টিকের খেলা দেখা যায় সার্কাসে। আর আছে যোগ ব্যায়ামের সাহায্যে জ্যান্ত সিঙি মাছ গিলে ফেলা
1/7জানুয়ারিতে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। শীত মানেই নলেন গুড়,পিঠে পায়েস,জয়নগরের মোয়া চিড়িয়াখানা আর সার্কাস। স্বাস্থ্য সচেতন যারা তারা পিঠে মিষ্টি খান ভেবে চিন্তে। তবে শীতে একটু ঘোরাঘুরি না করলেই নয়। এসময় বেশ একটা ছুটি ছুটি ভাব থাকে। তাই পরিবার নিয়ে অনেকেই ঘুরতে বেরিয়ে পড়েন। আর যারা যেতে পারেন না তারা বাড়ির কাছেই বিনোদন খুঁজে নেন। আর শীতের সেই বিনোদন যদি সার্কাস হয় তো কথাই নেই। ছোটোদের পছন্দের সার্কাস বড়রাও উপভোগ করেন। -তথ্য ও ছবি-বিধান সরকার
2/7চুঁচুড়া বাঘাযতীন মাঠে দীর্ঘ দিন পর সার্কাসের তাঁবু পড়েছে। একটা সময় ছিলো সার্কাসে বাঘ সিংহ হাতি গন্ডার শিম্পাঞ্জি দেখা যেত। এখন সেসব অতীত। এখন মূলত জিমনাস্টিকের খেলা দেখা যায় সার্কাসে। আর আছে যোগ ব্যায়ামের সাহায্যে জ্যান্ত সিঙি মাছ গিলে ফেলা। -তথ্য ও ছবি-বিধান সরকার
3/7মহম্মদ রসিদ এক বালতি জল খেয়ে ফেলেন অনায়াসে। তিনটে শিঙিমাছ গিলে আবার পেট থেকে বের করে দিতে পারেন। রঙিন জল খেয়ে আলাদা আলাদা ভাবে বের করে দেখান। পুরো খেলাটাই যোগ ব্যায়াম বলে জানান রসিদ। -তথ্য ও ছবি-বিধান সরকার
4/7আদতে হুগলির পান্ডুয়ার বাসিন্দা। তেরো বছর বয়স থেকে খেলা দেখাচ্ছেন সার্কাসে। তার মা লায়লা বিবি, বাবা রফিক আলম কুরেশি দুজনেই এই খেলা দেখাতেন। তাদের কাছেই শিখেছেন এই খেলা। -তথ্য ও ছবি-বিধান সরকার
5/7ঝুঁকি আছে। শিঙিমাছ শ্বাস নালিতে আটকে যাওয়ার ভয় আছে। রসিদ বলেন, সার্কাসের জীবনটাই তো ঝুঁকি। এখানে কোনো ম্যাজিক নেই। খেলা দেখানোর জন্য সারা দিন উপবাস করতে হয়। তিনটে শো শেষ করে তবে রাতে খাওয়া। এই কষ্ট এখন আর কেউ করতে চায় না। তাই সার্কাসে শিল্পীর অভাব। -তথ্য ও ছবি-বিধান সরকার
6/7রসিদ এই খেলা দেখিয়ে তাসখন্দে এক বছর কাটিয়ে এসেছেন। ভারতের সব সার্কাসে কাজ করেছেন। তার মতে সার্কাস ইতিহাস হতে আর বেশি দেরি নেই। -তথ্য ও ছবি-বিধান সরকার
7/7টারজান সার্কাসের ম্যানেজার মোল্লা সাদিক রহমান বলেন,সার্কাসের জন্য মাঠ পাওয়া যায় না এখন। আগে পশু পাখিদের খেলা দেখতে বহু দূর থেকে মানুষ আসত। এখন আসে না। তবে শনি রবিবার ভালো ভীড় হচ্ছে চুঁচুড়ার মাঠে।আগামী দিনে হয়ত সার্কাস পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। যদি না এখনই কিছু ভাবা হয়। এতে অনেকের কর্মসংস্থান জড়িত। -তথ্য ও ছবি-বিধান সরকার