Masood Azhar seen in POK: ভয়ংকর গোয়েন্দা ক্যামেরা! ভারতের দুর্ধর্ষ দুশমন মাসুদ আজহার পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে? প্রাণে বাঁচতে ইঁদুরের মতো গোপন ডেরায় লুকিয়ে...

Published: Jul 18, 2025, 07:59 PM IST|Updated: Jul 18, 2025, 07:59 PM IST

Masood Azhar: ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী অতি সম্প্রতি মাসুদ আজহারকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বালটিস্তানের স্কার্দুতে আত্মগোপন করে থাকা আস্তানার সন্ধান পেয়েছে। জয়েশের বাহাওয়ালপুরের সদর কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর থেকে এখানে-সেখানে লুকিয়ে বেড়াচ্ছিল মাসুদ।

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অপারেশন সিঁদুরে ঘটিবাটি হারানো জয়েশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার এখন পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঘাপটি মেরে রয়েছে। পাকিস্তানের রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে বহু দূরে চোখে ধুলো দিতে ভারতের একেবারে ঢিল ছোড়া দূরত্বে লুকিয়ে রয়েছে মাসুদ। 

1/11

মাসুদ আজহার

পাকিস্তান বরাবর দাবি করে এসেছে, মাসুদ তাদের দেশে নেই। কিছু দিন আগে পাকিস্তানের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী বিলাবল ভুট্টো দাবি করেছিলেন, মাসুদ রয়েছেন আফগানিস্তানে। কিন্তু এ বার তাঁকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরেই দেখা গেল। গোয়েন্দা সূত্র উল্লেখ করে এই তথ্য জানিয়েছে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। রিপোর্ট অনুযায়ী, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বালটিস্তান প্রদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মাসুদ।

2/11

মাসুদ আজহার

বাহাওয়ালপুরের হাজার কিলোমিটার দূরে তাকে দেখা গিয়েছে। নতুন গোয়েন্দা রিপোর্টে মাসুদ আজহারের এই উপস্থিতির কথা জানানো হয়েছে। বাহাওয়ালপুরে মাসুদ আজহারের দুটি ঘাঁটি ছিল। তার মধ্যে একটি হল জামিয়া সুভানআল্লা ও অন্যটি ছিল জামিয়া উসমান ও আলি। 

3/11

মাসুদ আজহার

গোয়েন্দাদের ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে, ওই এলাকায় অন্তত দু'টি মসজিদ, সংলগ্ন মাদ্রাসা এবং অনেকগুলি গেস্টহাউস রয়েছে। তার মধ্যে কোনও কোনও গেস্টহাউস সরকারি বলেও রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। গিলগিট-বালটিস্তানের এই এলাকাটি পাকিস্তানের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র হিসাবে পরিচিত। 

4/11

মাসুদ আজহার

একাধিক আকর্ষণীয় হ্রদ এবং নেচার পার্ক রয়েছে সেখানে। গোয়েন্দা সূত্রে দাবি, রাষ্ট্রপুঞ্জ চিহ্নিত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের প্রধানের পক্ষে এই জায়গাটি গা ঢাকা দেওয়ার জন্য আদর্শ। কারণ মাসুদ এখানে থাকবেন বলে চট করে কেউ আন্দাজও করতে পারবেন না।

5/11

মাসুদ আজহার

অপারেশন সিঁদুরে ভারতের হামলায় জয়েশ-ই-মহম্মদের সদর দফতর হিসেবে পরিচিত এই প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংস হয়ে যায়। জামিয়া উসমান ও আলি অংশটি শহরের ঘনবসতিপূর্ণ অংশে অবস্থিত একটি মাদ্রাসাতে রয়েছে। এখানেও আগে থাকত মাসুদ আজহার।

6/11

মাসুদ আজহার

সম্প্রতি মাসুদ আজহারকে স্কার্দুতে দেখা গিয়েছে, বিশেষ করে সাদপাড়া রোড এলাকার আশেপাশে। যেখানে কমপক্ষে দুটি মসজিদ, অনুমোদিত মাদ্রাসা এবং একাধিক বেসরকারি ও সরকারি অতিথিশালা রয়েছে। আজহারই একমাত্র সন্ত্রাসবাদী নেতা নয়, যে পাকিস্তানে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পেয়েছে। 

7/11

সৈয়দ সালাউদ্দিন

আরেক জঙ্গি ও হিজবুল মুজাহিদিন প্রধান সৈয়দ সালাউদ্দিন ইসলামাবাদের অভিজাত এলাকায় বসে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছে। বর্মা টাউনের আরেকটি ঘনবসতিপূর্ণ শহরতলিতে তার একটি অফিসও রয়েছে। যেখানে তাকে প্রায়শই বন্দুকধারীদের সঙ্গে দেখা যায়।

8/11

মাসুদ আজহার

সম্প্রতি বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি একটি বেসরকারি সংস্থাকে দেওয়া ইন্টারভিউয়ে দাবি করে বলেন, জয়েশ প্রধান মাসুদ আজহার কোথায় আছে তা ইসলামাবাদ জানে না। তিনি আরও বলেন, ভারত যদি তথ্য দেয় যে, সে পাকিস্তানের মাটিতে আছে, তাহলে তাকে গ্রেফতার করা হবে।

9/11

মাসুদ আজহার

মাসুদ আজহার ভারতের অন্যতম মোস্ট-ওয়ান্টেড জঙ্গি। ২০০১ সালের সংসদ হামলা, ২৬/১১ মুম্বই হামলা, ২০১৬ সালের পাঠানকোট হামলা এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলা সহ অন্যান্য ঘটনায় জড়িত সে। ১৯৯৯ সালে কান্দাহার বিমান ছিনতাইয়ের পর আজহারকে আইসি-৮১৪ এর যাত্রীদের বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

10/11

মাসুদ আজহার

ভারতে একাধিক জঙ্গিহামলার নেপথ্যে মাসুদের হাত রয়েছে। ২০১৬ সালের পঠানকোট হামলা থেকে শুরু করে ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলা, মাসুদই মূলচক্রী। তাঁর গতিবিধির দিকে নজর রেখেছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।

11/11

মাসুদ আজহার

পহেলগাঁও হামলার পর পাকিস্তানে ভারত যে সেনা অভিযান চালিয়েছিল, সেই 'অপারেশন সিঁদুর'-এর অন্যতম নিশানা ছিল মাসুদের ঘাঁটি, জইশের সদর দফতর জামিয়া শুভান আল্লা। ভারতের সেই হামলায় মাসুদের পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ মিলিয়ে মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।