Abdur Rejjak Molla: কাস্তে-হাতুড়ি থেকে ঘাসফুল-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র 'চাষার ব্যাটা' রেজ্জাক মোল্লা
Abdur Rajjak Molla: ২০১৪ সালে এক নাটকীয় মোড় নেয় 'আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা'র রাজনৈতিক পথচলা। সিপিএম রাজ্য কমিটি তাঁকে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে বহিষ্কার করে। দলচ্যুত হওয়ার পরে তিনি নিজেই একটি নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করেন—‘ভারতীয় ন্যায়বিচার পার্টি’। নিজেকে পরিচয় দেন 'চাষার ব্যাটা' বলে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: 'আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা'- রাজনৈতিক মঞ্চে আবির্ভাব হয়েছিল ১৯৭৭ সালে, বামফ্রন্টের উত্থানের সময়। ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে যাত্রা শুরু করেন রেজ্জাক মোল্লা। টানা ২০১১ সাল পর্যন্ত ওই একই কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে বহাল ছিলেন তিনি। রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকারের পতনের সময়েও এই আসনটি তাঁর দখলেই ছিল—বামেরা একের পর এক আসন হারালেও, রেজ্জাকের গড় অটুট ছিল। ২০১৬ তে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে ভাঙ্গড় কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ান। বিপুল ভোটে জয়লাভ করে আবার ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। বরাবর গ্রামের এবং জমির মানুষের জন্য লড়ে যাওয়া 'চাষার ব্যাটা' বিতর্কিত মন্তব্য করে বহুবার লাইম লাইটে থেকেছেন। ফিরে দেখা আব্দুর রেজ্জাক মোল্লার বর্ণময় চরিত্র।
নিঃসঙ্গ রেজ্জাক মোল্লা

রাজনীতি থেকে দূরে

TRENDING NOW
বুদ্ধদেবের নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার

জমি অধিগ্রহণ নীতির ‘ত্রুটির’ কথা

‘হেলে ধরতে পারে না, কেউটে ধরতে যায়’

বুদ্ধদেবের সরকারে থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে রেজ্জাকের সম্পর্ক কখনওই তেমন ‘মসৃণ’ ছিল না। রেজ্জাক বিভিন্ন সময়ে বুদ্ধদেব সম্পর্কে বহু ‘বিরূপ’ মন্তব্য করেছিলেন। ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকারের যখন পতন হয়, সে সময়ে রেজ্জাক বুদ্ধদেব সম্পর্কে তির্যক মন্তব্য করে বলেছিলেন, ‘হেলে ধরতে পারে না, কেউটে ধরতে যায়।’ এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল সেই সময়।
সিপিএমের জমি অধিগ্রহণ নীতির কট্টর সমালোচক

মুখ্যমন্ত্রী মমতার মন্ত্রিসভার মন্ত্রী

‘চাষার ব্যাটা’

ভাঙড় বিধানসভা

বাংলার রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র

