Abdur Rejjak Molla: কাস্তে-হাতুড়ি থেকে ঘাসফুল-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র 'চাষার ব্যাটা' রেজ্জাক মোল্লা

Abdur Rajjak Molla: ২০১৪ সালে এক নাটকীয় মোড় নেয়  'আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা'র রাজনৈতিক পথচলা। সিপিএম রাজ্য কমিটি তাঁকে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে বহিষ্কার করে। দলচ্যুত হওয়ার পরে তিনি নিজেই একটি নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করেন—‘ভারতীয় ন্যায়বিচার পার্টি’। নিজেকে পরিচয় দেন 'চাষার ব্যাটা' বলে।

Apr 11, 2025, 03:07 PM IST

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো:  'আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা'- রাজনৈতিক মঞ্চে আবির্ভাব হয়েছিল ১৯৭৭ সালে, বামফ্রন্টের উত্থানের সময়। ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে যাত্রা শুরু করেন রেজ্জাক মোল্লা। টানা ২০১১ সাল পর্যন্ত ওই একই কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে বহাল ছিলেন তিনি। রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকারের পতনের সময়েও এই আসনটি তাঁর দখলেই ছিল—বামেরা একের পর এক আসন হারালেও, রেজ্জাকের গড় অটুট ছিল। ২০১৬ তে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে ভাঙ্গড় কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ান। বিপুল ভোটে জয়লাভ করে আবার ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। বরাবর গ্রামের এবং জমির মানুষের জন্য লড়ে যাওয়া 'চাষার ব্যাটা' বিতর্কিত মন্তব্য করে বহুবার লাইম লাইটে থেকেছেন। ফিরে দেখা আব্দুর রেজ্জাক মোল্লার বর্ণময় চরিত্র।

1/11

নিঃসঙ্গ রেজ্জাক মোল্লা

রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার পরে নিঃসঙ্গ রেজ্জাক ঘনিষ্ঠমহলে বহু বার বলেছেন, সিপিএমের লোকজন তাঁর অসুস্থতার খবর নিলেও বর্তমান শাসকদলের কেউ খবর রাখে না।

2/11

রাজনীতি থেকে দূরে

ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, অসুস্থতার কারণেই এর পর রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন রেজ্জাক।

3/11

শওকত থেকে আরাবুল শেখ

শওকত থেকে আরাবুল শেখ- তাঁর সঙ্গে রাজনীতির বিরোধিতা ছিল কাঁটায় কাঁটায়

4/11

বুদ্ধদেবের নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার

সিপিএমের নথিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছিল যে, বুদ্ধদেবের নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার যে ভাবে জমি অধিগ্রহণ করেছিল, তা দলের ‘শ্রেণি দৃষ্টিভঙ্গি’র সঙ্গে খাপ খায় না। 

5/11

জমি অধিগ্রহণ নীতির ‘ত্রুটির’ কথা

পলিটব্যুরো সেই সময়ে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীকে সতর্কও করেছিল। এমনকি, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম ‘শূন্য’ হয়ে যাওয়ার পরে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি যে পর্যালোচনা করেছিল, তাতেও উল্লেখ ছিল বুদ্ধদেব জমানার জমি অধিগ্রহণ নীতির ‘ত্রুটির’ কথা। 

6/11

‘হেলে ধরতে পারে না, কেউটে ধরতে যায়’

বুদ্ধদেবের সরকারে থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে রেজ্জাকের সম্পর্ক কখনওই তেমন ‘মসৃণ’ ছিল না। রেজ্জাক বিভিন্ন সময়ে বুদ্ধদেব সম্পর্কে বহু ‘বিরূপ’ মন্তব্য করেছিলেন। ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকারের যখন পতন হয়, সে সময়ে রেজ্জাক বুদ্ধদেব সম্পর্কে তির্যক মন্তব্য করে বলেছিলেন, ‘হেলে ধরতে পারে না, কেউটে ধরতে যায়।’ এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল সেই সময়। 

7/11

সিপিএমের জমি অধিগ্রহণ নীতির কট্টর সমালোচক

বুদ্ধদেবের আমলে সিপিএমের জমি অধিগ্রহণ নীতির কট্টর সমালোচক ছিলেন তৎকালীন মন্ত্রী রেজ্জাক। সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে যখন আন্দোলন দানা বাঁধছে, তখন দলের অন্দরে কৃষকসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। 

8/11

মুখ্যমন্ত্রী মমতার মন্ত্রিসভার মন্ত্রী

২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন রেজ্জাক। সে বার ভোটে জিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার মন্ত্রিসভার মন্ত্রীও হন।

9/11

‘চাষার ব্যাটা’

নিজেকে ‘চাষার ব্যাটা’ বলে পরিচয় দিতে ভালবাসতেন। তিনি প্রথম বার মন্ত্রী হন ১৯৮২ সালে। 

10/11

ভাঙড় বিধানসভা

১৯৭২ সালে ভাঙড় বিধানসভা থেকে সিপিএমের টিকিটে জিতে প্রথম বার বিধায়ক হয়েছিলেন রেজ্জাক মোল্লা।

11/11

বাংলার রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র

জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়— রাজ্যে পর পর তিন আমলেরই মন্ত্রী, বাংলার রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র রেজ্জাক মোল্লা প্রয়াত।