Govt Banns Nimesulide Pain Killer: বড় খবর! ভয়ংকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সারা দেশে নিষিদ্ধ হল পেইনকিলার 'নিমেলুসাইড...'

Published: Jan 01, 2026, 02:25 PM IST|Updated: Jan 01, 2026, 02:25 PM IST

Pain Killer Bann: সাধারণত জ্বর বা অসহ্য ব্যথায় চটজলদি আরাম পেতে এতদিন যে ওষুধের ওপর অনেকেই ভরসা করতেন, সেই নিমেসুলাইড (Nimesulide)-এর ওপর এবার বড়সড় নিষেধাজ্ঞা চাপাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক (Health and Family welfare ministry)। মূলত জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ১০০ মিলিগ্রামের (100 mg) বেশি ডোজের নিমেসুলাইড ট্যাবলেট এবং সিরাপের উৎপাদন, বিক্রি ও বিতরণ দেশজুড়ে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কেন এই নিষেধাজ্ঞা?1/12

কেন এই নিষেধাজ্ঞা?

কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)-এর পরামর্শ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

কেন এই নিষেধাজ্ঞা?2/12

কেন এই নিষেধাজ্ঞা?

দীর্ঘ গবেষণায় দেখা গেছে, নিমেসুলাইড ওষুধের অতিরিক্ত বা অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মানবদেহে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 

কেন এই নিষেধাজ্ঞা?3/12

কেন এই নিষেধাজ্ঞা?

চিকিৎসকদের মতে, এই ওষুধ লিভারের (যকৃৎ) অপূরণীয় ক্ষতি করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এছাড়াও কিডনি বিকল হওয়া, পাকস্থলীতে আলসার এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতির মতো গুরুতর ঝুঁকি রয়েছে।

 

নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস4/12

নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস

নিমেসুলাইড নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ১৯৮৫ সালে ইতালিতে প্রথম এই ওষুধ চালু হলেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের মতো উন্নত দেশগুলো অনেক আগেই এটি নিষিদ্ধ করেছে। 

নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস5/12

নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস

ভারতে ২০১১ সালে তদানীন্তন ইউপিএ-২ সরকার ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এটি নিষিদ্ধ করেছিল। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এর ব্যবহার চালু ছিল। 

নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস6/12

নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস

সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিক্স অ্যাক্ট ১৯৪০-এর আওতায় এবার বড়দের জন্য উচ্চ মাত্রার নিমেসুলাইডও বাতিলের খাতায় নাম লেখাল।

 

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও লক্ষণসমূহ7/12

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও লক্ষণসমূহ

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, নিমেসুলাইড ব্যবহারের ফলে নিম্নলিখিত সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে:

অসহ্য পেটে যন্ত্রণা ও বমি ভাব।

তন্দ্রাচ্ছন্নতা বা ঝিমুনি এবং মাথা ঘোরা।

নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া।

মারাত্মক ক্ষেত্রে মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ এবং চোখ-চামড়া হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিসের লক্ষণ)।

চিকিৎসকদের অভিমত8/12

চিকিৎসকদের অভিমত

 চিকিৎসকদের মতে, বাজারে নিমেসুলাইডের অনেক নিরাপদ বিকল্প ওষুধ রয়েছে, তাই রোগীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

পশুচিকিৎসাতেও নিষেধাজ্ঞা9/12

পশুচিকিৎসাতেও নিষেধাজ্ঞা

উল্লেখ্য, শুধু মানুষের ক্ষেত্রেই নয়, পশুচিকিৎসাতেও নিমেসুলাইডের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিমেসুলাইড খাওয়া গবাদি পশুর মৃতদেহ খেয়ে শকুনদের মৃত্যু হচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে।

 

পরবর্তী পদক্ষেপ10/12

পরবর্তী পদক্ষেপ

সরকার ১৯৪৫ সালের ড্রাগস নীতিতে সংশোধনের প্রস্তাব দিয়ে একটি খসড়া বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে। 

পরবর্তী পদক্ষেপ11/12

পরবর্তী পদক্ষেপ

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এই কড়া বার্তার পর ওষুধ বিক্রেতাদের অবিলম্বে উচ্চ মাত্রার নিমেসুলাইড মজুত ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

পরবর্তী পদক্ষেপ12/12

পরবর্তী পদক্ষেপ

সাধারণ মানুষকেও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যেন চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোন ব্যথানাশক ওষুধ না কেনেন।