Pakistan’s Secret Bride Market: খবরে পাকিস্তানের গোপন 'কনে-বাজার'! চিন ১.৫ লাখ টাকায় পাকিস্তানের নাবালিকাদের কিনছে! 'বিয়ে'র নামে চরম লালসার শিকার অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরা!
1/10জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: চরম অর্থনৈতিক মন্দায় পাকিস্তান পুরো পঙ্গু। বেজিংয়ের থেকে অত্যধিক ঋণের বোঝার কারণেই কার্যত চিন আজ এক আশ্রিত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। যার ফলে ইসলামাবাদ গদর বন্দরের মতো কৌশলগত এলাকার নিয়ন্ত্রণ তার 'আয়রন ব্রাদার'-এর হাতে তুলে দিতে বাধ্য হয়েছে।
2/10চিনের উপর পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান নির্ভরতার আরও এক অন্ধকার দিক রয়েছে। শেহবাজ শরিফের দেশ অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের 'কনে-বাজার'-এ এনে বিক্রি করে দিচ্ছে। চিনের ছেলেরা মাত্র ৭০০ ডলারে (ভারতীয় মুদ্রায় ৬২ হাজার টাকার কিছু বেশি) সেই মেয়েদের কিনে নিচ্ছে! ভয়ঙ্কর তথ্য প্রকাশ্যে...
3/10মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের মতে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতিই এই বাজারে জন্ম দিয়েছে। প্রত্যন্ত সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে দারিদ্র্য এবং লিঙ্গ ভারসাম্যহীনতার কারণে, প্রায়শই পরিবারগুলি তাদের মেয়েদের ধনী চিনাদের কাছে সামান্য টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে!
4/10'১.৫ লাখে বউ' এবং 'বিনামূল্যে বাবা-মা'! সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মর্মে ট্রোল হচ্ছে। তবে বাস্তবতা আরও কঠোর। অভাবের কারণে পাকিস্তানের প্রত্যন্ত সীমান্ত অঞ্চলের মানুষ, বিশেষ করে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষই নিজের ঘরের অল্পবয়সী মেয়েদের বিয়ের নামে চিনা পুরুষদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।
5/10চিনে চলে যাচ্ছে পুরো পাকিস্তানই! টাকা ছাড়াও পরিবারগুলি মেয়ের ভাইবোনদের চিনে পাঠায়। প্রায়শই অসুস্থ বাবা-মাও কনের সঙ্গে তার নতুন বাড়িতে যান। যা মানব পাচারকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
6/10পাকিস্তানে তথাকথিত পাকিস্তানের গোপন 'কনে-বাজার'-এর কোনও নির্দিষ্ট স্থান নেই। চিনের সীমান্তবর্তী দেশের গ্রামগুলিতে এই প্রথা ব্যাপক ভাবে প্রচলিত। কারণ পাক এবং চিনা দালালরা প্রায়শই এই প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে আসে। দারিদ্র্যপীড়িত পরিবারের মেয়েদের ৭০০ থেকে ৩২০০ ডলারের মধ্যে কিনে নেয়।
7/10মেয়ের 'দাম' তার বয়স এবং শারীরিক আকর্ষণের উপর নির্ভরশীল। কম বয়সী এবং সুন্দরী মেয়েরা অনেক বেশি দাম পায়। অল্পবয়সী মেয়েদের 'বিয়ের' আড়ালে ধনী চিনা পুরুষদের কাছে 'কনে' হিসেবে বিক্রি করা হয়। তবে এ নিছকই এক যৌনতা। চিনে তাদের 'যৌনদাসী' করে রাখা হয়।
8/10বেশিরভাগ মেয়েরই বয়স ১২-১৮ বছরের মধ্যে। ২০১৯ সালে পাকিস্তানি তদন্তকারীরা ৬২৯টিরও বেশি ঘটনা নিশ্চিত করেছেন যেখানে 'বিয়ের' অজুহাতে পাচার চক্রগুলি অল্পবয়সী মেয়েদের চীনে পাঠিয়েছিল। সেই মেয়েদের শ্রমে নিযুক্ত করা হয়েছে বা যৌন ব্যবসায় বাধ্য করা হয়েছে।
9/10চিনা এবং পাকিস্তানের দালালরা প্রত্যন্ত গ্রামের দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের 'কিনে' জাল ভিসা এবং পাসপোর্ট ব্যবহার করে সরাসরি চিনে এবং কখনও কখনও আজারবাইজানের মতো অন্যান্য দেশেও পাচার করে। প্রায়শই এই মেয়েরা চরম শোষণের শিকার।
10/10বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে চিনের ক্রমবর্ধমান লিঙ্গ ভারসাম্যহীনতার কারণেও পাকিস্তানের গোপন 'কনে-বাজার' আরও বিকশিত হয়েছে। যেখানে এক সন্তান নীতির কারণে ৩৫ মিলিয়ন 'অতিরিক্ত' পুরুষ রয়েছে!