Hooghly Murder Case: হুগলির চণ্ডীতলায় বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্কের জেরেই খুন যুবক। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ থেকে গ্রেফতার স্ত্রীর প্রেমিক। রহস্যভেদ করল পুলিস।
1/9বিধান সরকার: হুগলিতে হাড়হিম কাণ্ড। স্ত্রীর প্রেমিকের হাতেই খুন যুবক! হাসপাতালে গা-ঢাকা দিয়েও শেষরক্ষা হল না। কাকদ্বীপ থেকে গ্রেফতার অভিযুক্ত। রহস্য়ভেদ করল পুলিস।
2/9ঘটনার সূত্রপাত ৩১ আগস্ট। সেদিন রাতে হলুদ স্কুটিতে চাপ চাপ রক্ত দেখে রীতিমতো চাঞ্চল্য় ছড়িয়ে পড়ে হুগলির চণ্ডীতলায় হাটপুকুর এলাকায়। পাশেই একটি ডোবা থেকে উদ্ধার এক যুবকের গলাকাটা দেহ।
3/9তদন্তে জানা যায়, ওই যুবকের নাম শ্রীমন্ত কোড়ার। বাড়ি, পান্ডুয়া থানার চাঁদপুর গ্রামে। কিন্তু কে খুন করল তাঁকে? কেন-ইবা খুন হতে হল? মৃতের স্ত্রী-সহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিস।
4/9অবশেষে চণ্ডীতলা য়ুবক খুনের কিনারা করে ফেলল পুলিস। কাকদ্বীপ হাসপাতালে ধরা পড়ল স্ত্রী-র প্রেমিক।
5/9তদন্তে উঠে এল, পাণ্ডুয়া চাঁদপুরেই একটি জল কারখানায় কাজ করতেন শ্রীমন্তের স্ত্রী টুম্পা। সেখানেই বরুণ হালদার নামে এক যুবকের সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। বরুণের বাড়ি চণ্ডীতলার হাটপুকুরে।
6/9বরুণের সঙ্গে বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন টুম্পা। জুলাই মাসে প্রেমিকের সঙ্গে কাকদ্বীপে পালিয়ে যান তিনি। চন্ডীতলা থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করেছিলেন টুম্পার মা।
7/9এদিকে টুম্পার দুই সন্তান রয়ে গিয়েছে পাণ্ডুয়ায়, তাঁর বাড়িতে। তাদের দেখতেই কয়েকদিন আগে কাকদ্বীপ থেকে পাণ্ডুয়া ফেরেন ওই গৃহবধূ। বস্তুত, চণ্ডীতলায় শ্রীমন্তের সঙ্গে ফের থাকতেও শুরু করেন।
8/9পুলিস সূত্রে খবর, ঘটনার দিনে একসঙ্গে মদ্যপান করেছিলেন বরুণ ও শ্রীমন্ত। এরপর স্কুটিতে করে যাওয়ার সময়ে দু'জনের মধ্যে বচসা হয়। এরপর হঠাত্-ই ৎ ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে শ্রীমন্তকে খুন করে ডোবায় ফেলে পালিয়ে যায় বরুণ। ধস্তাধস্তিতে সে নিজেও আহত হয়।
9/9টুম্পাকে জেরা করেই বরুণের কথা জানতে পারে পুলিস। জেরায় টুম্পা জানান, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বরুণ। এরপর কাকদ্বীপে গিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে হুগলির চণ্ডীতলা থানার পুলিস।