Repo Rate: বড় খবর! সুদের হার কমাল আরবিআই! নববর্ষের আগেই লক্ষ্মীলাভের সম্ভাবনা? লোনের কড়ি এবার কম গুনতে হবে?

RBI Cuts Repo Rate by 25 bps: যে সুদের হারে রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলিকে আরবিআই ঋণ দিয়ে থাকে, তাকে রেপো রেট বলে। সাধারণ আরবিআই রেপো রেট কমালে ব্যাঙ্কগুলিও সুদের হার কমায়।

| Apr 09, 2025, 03:27 PM IST

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আরবিআই রেপো রেট কমালে সাধারণত ব্যাংকগুলিও সুদের হার কমায়। ফলে ঋণগ্রহীতাদের মাসিক কিস্তির টাকা কমে। নতুন অর্থবর্ষের প্রথম আর্থিক নীতি কমিটির (এমপিসি) বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত নিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই)। বুধবার এমপিসি-র বৈঠকের পরে আরবিআইয়ের গর্ভনর জানালেন, রেপো রেট কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

1/6

২৫ বেসিস পয়েন্ট

নতুন অর্থবর্ষের প্রথম আর্থিক নীতি কমিটির (এমপিসি) বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত নিল রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। বুধবার এমপিসি-র বৈঠকের পর আরবিআইয়ের গর্ভনর সঞ্জয় মালহোত্রা জানান, রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

2/6

৬.২৫ শতাংশ থেকে ৬

৬.২৫ শতাংশ থেকে রেপো রেট কমে হল ৬ শতাংশ। বুধবার থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হল বলে জানিয়েছেন আরবিআইয়ের গভর্নর। এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়েছিল।

3/6

জিডিপি বৃদ্ধি

২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার কত হতে পারে, সে কথাও জানিয়েছেন আরবিআইয়ের গর্ভনর। এর আগে আরবিআই জানিয়েছিল, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে ৬.৭ শতাংশ। এদিন সেই সম্ভাবনা ২০ বেসিস পয়েন্ট কমাল তারা।

4/6

প্রথম-দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে

সঞ্জয় মালহোত্রা জানিয়েছেন, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৬.৫ শতাংশ হতে পারে। এর মধ্যে প্রথম ত্রৈমাসিকে তা থাকার সম্ভাবনা ৬.৫ শতাংশ। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে তা কিছুটা বাড়তে পারে। হতে পারে ৬.৭ শতাংশ। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে তা কিছুটা বাড়তে পারে। হতে পারে ৬.৭ শতাংশ। 

5/6

তৃতীয়-চতুর্থ ত্রৈমাসিকে

তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে ৬.৬ শতাংশ। তবে চতুর্থ ত্রৈমাসিকে তা কিছুটা কমতে পারে। চতুর্থ ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হার থাকতে পারে ৬.৩ শতাংশ।

6/6

'রেপো রেট'

রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া যে সুদের হারে রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকগুলিকে ঋণ দেয়, তাকে 'রেপো রেট' বলে। সাধারণত আরবিআই রেপো রেট কমালে ব্যাংকগুলিও সুদের হার কমায়। ফলে, সুবিধা হয় ঋণগ্রহীতাদের। কেননা এতে, তাঁদের মাসিক কিস্তির টাকা কমে। যদি এবারও সেটাই ঘটে, তাহলে এবার ঋণগ্রহীতাদের গাড়ি-বাড়ির ঋণের মাসিক কিস্তির টাকা গুনতে হবে কম। সেটা কমার সম্ভাবনা কি রয়েছে? প্রশ্ন সেটাই।